সংবাদসংস্থা মুম্বই: টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?
এবার বড়পর্দায় সলমনের কৃষ্ণসার হরিণ মামলা
সলমন খানের জীবনের অন্যতম বিতর্কিত অধ্যায় সেই ‘কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা’ এবার সেলুলয়েডের পর্দায় বন্দি হতে চলেছে। জনি ফায়ারফক্স মিডিয়ার ব্যানারে তৈরি হচ্ছে নতুন ক্রাইম-থ্রিলার ও কোর্টরুম ড্রামা, যার নাম রাখা হয়েছে ‘কালা হিরন’ । সম্প্রতি ছবিটির প্রথম পোস্টারও প্রকাশ্যে এসেছে। ১৯৯৮ সালে যোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের সময় হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সলমনের বিরুদ্ধে। ‘কালা হিরন’-এ সলমনের গ্রেফতার, যোধপুর সেন্ট্রাল জেলের দিনগুলো এবং দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের ভেতরের গল্প নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হবে।উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় ইতিমধ্যে ছবির বড় অংশের শুটিং শেষ। আগামী ২০ জুন মুক্তি পেতে চলেছে সিনেমাটির প্রথম অফিসিয়াল টিজার।
‘ডন ৩’ বিতর্কে রণবীর সিংয়ের পাশে রাম গোপাল বর্মা
‘ডন ৩’ থেকে রণবীর সিংয়ের আচমকা সরে যাওয়া এবং তাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতায় এবার বিনোদন জগতে ঝড় তুললেন রাম গোপাল বর্মা। এফডব্লিউআইসিই যখন রণবীরের বিরুদ্ধে ‘অসহযোগিতার’ অভিযোগ তুলেছে, ঠিক তখনই অভিনেতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন পরিচালক। শুধু তাই নয়, ওই সংগঠনটিকেই নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন তিনি। ‘ডন ৩’ থেকে রণবীর সিং হঠাৎ ব্যাকআউট করায় প্রযোজনা সংস্থার প্রায় ৪৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ। এর জেরে এফডব্লিউআইসিই রণবীরের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার নোটিশ জারি করে দাবি করে, তিনটি নোটিশ পাঠানো হলেও অভিনেতা কোনও জবাব দেননি।এই পদক্ষেপকে ‘গান্ধীগিরি স্টাইলের নাটক’ এবং ক্ষমতা দেখানোর ‘বড়সড় রসিকতা’ বলে উড়িয়ে দেন রাম গোপাল বর্মা। সংগঠনটিকে ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ (বেআইনি একতরফা বিচারসভা) আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, "রণবীরকে নয়, বরং এই সংগঠনটিকেই ব্যান করা উচিত।"
বলিপাড়ার স্বজনপোষণ নিয়ে কী মত রীমা কাগতির?
বলিউডের স্বজনপোষণ নিয়ে সমাজমাধ্যমে তুমুল ঝড় উঠলেও দিনশেষে এর জন্য দর্শকরাই দায়ী! বি-টাউনের অন্যতম নামী পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার রীমা কাগতি এবার এই বিতর্ক নিয়ে সরাসরি আঙুল তুললেন আমজনতার দিকেই। তার স্পষ্ট দাবি, দর্শকরা মুখে নেপোটিজম নিয়ে যত ক্ষোভই উগড়ে দিক না কেন, হলে গিয়ে সিনেমা দেখার সময় তারা কেবল পরিচিত তারকা বা ‘স্টার কিড’দের ছবিই বেছে নেন। রীমা মনে করেন, নেপোটিজম নিয়ে নেটিজেনদের প্রতিবাদের পেছনে এক ধরণের ভণ্ডামি কাজ করে। তিনি বলেন, “লোকেরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে শোরগোল করে ঠিকই, কিন্তু দিনশেষে যখন তারা টিকিট কেটে সিনেমা দেখতে যায়, তখন চেনা মুখ বা বড় স্টারদের সিনেমাই দেখে।” নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এই পরিচালক জানান, কোনও নতুন মুখ বা ইন্ডাস্ট্রির বাইরের প্রতিভাকে নিয়ে সিনেমা বানালে বক্স অফিসে সেই ছবি দেখতে দর্শকদের তেমন আগ্রহ থাকে না। মানুষ সেই ছবিগুলোর টিকিট কেনে না, অথচ স্টার কিডদের সিনেমা নিয়েই মাতামাতি বেশি হয়।















