রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে পরমব্রত চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে গড়িয়াহাট থানায় অভিনেতার বিরুদ্ধে দায়ের হয় অভিযোগ। আপাতত সেই মামলার তদন্ত চলবে বলে জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে অভিনেতার বিরুদ্ধে আগামী চার সপ্তাহ কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। তদন্তে অভিনেতাকে সহযোগিতার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়। 

২০২১ সালে ২ মে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়৷ ওইদিন পরমব্রত টুইট করেছিলেন "আজ বিশ্ব রগড়ানি দিবস হিসাবে ঘোষিত হোক।" এই টুইটটি ফের শেয়ার করে স্বস্তিকা মুখার্জি লেখেন," হাহাহা হোক হোক৷" এরপর ছাব্বিশের ভোটে রাজ্যে পালাবদলের পরই বিপাকে পড়েন পরমব্রত ও স্বস্তিকা। গত ২৭ মে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী জয়দীপ সেন। 

এফআইআর খারিজের আবেদন নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন পরমব্রত। সেই মামলায় শর্তসাপেক্ষে রক্ষাকবজ পেলেন অভিনেতা। এদিন উচ্চ আদালতের বিচারপতি জানিয়েছেন, গড়িয়াহাট থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলবে। সেই তদন্তে পরমব্রতকে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে। 

পরমব্রতর বিরুদ্ধে জয়দীপ সেন অভিযোগ করেন, খ্যাতনামী ব্যক্তিরা এই ধরনের মন্তব্য করলে কার্যত রাজনৈতিক হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া হয়৷ এই আচরণ ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় অপরাধ হিসাবে গণ্য হতে পারে৷ এই ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি।