তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথম কয়েক বছর ভালভাবে কাজ করতে পেরেছিলেন৷ সরকারি অনুষ্ঠানও করেছিলেন দোলা ব্যনার্জি। শিল্পী জানান, সমস্যা শুরু হয় ২০১৫-১৬ এর সময় থেকে৷ দোলা ব্যানার্জির অভিযোগ, ইন্দ্রনীল সেনের নেতৃত্বে টাকা তোলা হত৷ যোগ্য শিল্পীরা কাজ করতে পারেননি৷ এই চূড়ান্ত অব্যবস্থার জন্য ইন্দ্রনীল সেন এবং শিবাজি চট্টোপাধ্যায় এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে সহানুভূতিশীল দোলা ব্যানার্জি।  


 দোলা বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মাননীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে না খুব শ্রদ্ধা করি লড়াকু নেত্রী হিসেবে। ওনাকে যদি অগ্নিকন্যা বলা যায় ভুল হবে না। ওনার চোখের সামনে ওনার হাতে ধরে আনা কিছু মানুষ, ওনাকে গান শিখিয়ে এই বোকাটা বানালো। উনি বুঝতে পারলেন না। উনি প্রশ্রয় দেবার মত মহিলা তো নন।”

কিন্তু এই নেক্সাসের নেপথ্যে জড়িত অনেকে, এমনটাই জানান দোলা ব্যানার্জি। দোলা বলেন, “এটা কোন একক ব্যক্তির কাজ নয়। কোটি টাকার ট্রান্সফার হয়েছে।”

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর রবীন্দ্রজয়ন্তীতে  মমতা ব্যানার্জির পাশে কোনও শিল্পীকে দেখা যায়নি৷ সেই বিষয়েও ক্ষোভপ্রকাশ করে দোলা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর মতো মানুষ যাঁদেরকে এত টাকা দিয়েছেন, এত সম্মান দিয়েছেন, তার ২৫শে বৈশাখ অনুষ্ঠানে কেউ গেলেন না? এতটুকু কৃতজ্ঞতা নেই যে এই মানুষটা আমাদের এত করেছেন, আমরা তার অনুষ্ঠানে গিয়ে দাঁড়াই? এত অকৃতজ্ঞ?”