আলিয়া ভাটের সৌন্দর্যের রহস্য লুকিয়ে 'লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ' ম্যাসাজে! শুধু আলিয়া ভাট নন, আরও একাধিক তারকা এবং ওয়েলনেস ইনফ্লুয়েন্সারদের পছন্দের বিষয় এটি। এমনকী বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় বিউটি হ্যাক এবং ওয়েলনেস ট্রেন্ড। কিন্তু বিষয়টা কী? কীভাবে করা হয় এই ম্যাসাজ, উপকারিতা কী? 

'লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ' ম্যাসাজের একাধিক উপকারিতা রয়েছে। এটি মূলত রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। ফলে ত্বকের নমনীয়তা বজায় থাকে। ফোলাভাব কমায়। একই সঙ্গে রিল্যাক্স করে ত্বককে। 

'লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ' ম্যাসাজ হল একটি মৃদু থেরাপিউটিক ম্যাসাজের ধরন যা মূলত শরীরের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমকে স্টিমুলেট করে। এতে শরীর থেকে টক্সিন দূর হয়। টিস্যুতে অতিরিক্ত ফ্লুইড জমে থাকলে সেটা কমে। ডিপ টিস্যু ম্যাসাজের ক্ষেত্রে যেমন জোর প্রয়োগ করা হয়, এই ক্ষেত্রে হালকা, রিদমিক স্ট্রোকের সাহায্যে ম্যাসাজ করা হয়। এতে সারা শরীরে লিম্ফে জমে থাকা ফ্লুইড সঞ্চালিত হয়। 

কেন ব্যবহার করা হয় এই ম্যাসাজ? ফোলাভাব কমাতে, রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে, শরীর থেকে জলের মাত্রা কমাতে মূলত ব্যবহৃত হয় এটি। এছাড়া কসমেটিক সার্জারির পরও এই ম্যাসাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। রিল্যাক্স করতে, স্ট্রেস কমাতেও উপকারী এটি। পা ভার হয়ে গেলে বা ফুলে গেলেও 'লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ' ম্যাসাজ করা উচিত। 

'লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ' ম্যাসাজ জনপ্রিয়তা পায় যখন এই বিষয়ে কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে হাঁটার আগে একটি সাক্ষাৎকারে আলিয়া ভাট এর বিষয়ে কথা বলেন। জানান তাঁর প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এই 'লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ' ম্যাসাজ।

তবে এটি মাথায় রাখবেন এই 'লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ' ম্যাসাজ করলে শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন ম্যাজিকের মতো ফ্লাস হয়ে যায় না। শরীরে জমে থাকা বর্জ্যকে বের করতে সাহায্য করে।