'ইন্ডিয়াস গট লেটেন্ট' শোয়ে এসে সম্প্রতি সকল পুরুষদের ঘৃণা করি, মদ খেয়ে স্বামীকে পেটাতে চাই, ইত্যাদির মতো একাধিক বিস্ফোরক দাবি করে বসেন বিহারের এক শিক্ষিকা সাক্ষী ঝা। এবার সূত্রের খবর এমন দাবি করার পরই নাকি তিনি তাঁর চাকরি থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন। 

'ইন্ডিয়াস গট লেটেন্ট' শোয়ের দ্বিতীয় পর্বে সাক্ষী ঝা অডিশন দিতে আসেন। সেখানে তিনি পুরুষদের নিয়ে একাধিক নেতিবাচক মন্তব্য করেন। জানান তিনি তাঁর বাবা, ভাই থেকে শুরু করে সকল পুরুষদের ঘৃণা করেন। এরপরই হঠাৎ রটে যায় বিহার সরকারের তরফে নাকি তাঁর এই মন্তব্যের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। যদিও এখনও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে বা শিক্ষা দফতর, এমনকী তিনি যে স্কুলে শিক্ষকতা করেন তাদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে হঠাৎই রটে যায় সাক্ষীকে নাকি বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। (এই খবরের সত্যতা যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন।)

অন্যদিকে সময় রায়না নিজেও এদিন এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন। পর্বটি সম্প্রচার হওয়ার পরই ট্রোলের বন্যা বয়ে গিয়েছে। সাক্ষীকে ব্যক্তি আক্রমণ করা হয়েছে। তাই সময় সকলকে অনুরোধ করেছেন, ঘৃণা না ছড়িয়ে ভালবাসা ছড়ানোর জন্য। তবে নেটপাড়ার মতে, একজন শিক্ষিকার থেকে এমন মন্তব্য মোটেই কাম্য নয়। 

কে এই সাক্ষী ঝা? তিনি ঠিক কী বলেছেন সময়ের শোয়ে এসে? সাক্ষী বিহারের একটি স্কুলের শিক্ষিকা এবং সোশ্যাল মিডিয়া ক্রিয়েটর। এদিন 'ইন্ডিয়াস গট লেটেন্ট' শোয়ের অডিশনে এসে তিনি নিজেকে পুরুষ বিদ্বেষী হিসেবে পরিচয় দেন। শুধু তাই নয় তিনি তাঁর জীবনের একটি অদ্ভুত লক্ষ্যের কথাও জানান। বলেন, 'আমি মদ খেয়ে আমার স্বামীকে মারতে চাই।' সাক্ষী জানান, কেবল অপরিচিত পুরুষ বা সাধারণত ভাবে পুরুষদের ঘৃণা করেন, অপছন্দ করেন এমনটা নয়, তিনি তাঁর বাবা বা ভাইকেও পছন্দ করেন না। তাঁদের নিয়েও তিনি সমান ভাবে বিরক্ত। পুরুষদের ইগো ভাঙতে তাঁর দারুণ ভাল লাগে বলেও দাবি করেন এদিন। সাক্ষী এদিন তাঁর কথায় আরও বলেন, 'আমার বন্ধুরা বলে সাক্ষী তুই খুব লেম। ঠিক আছে আমি তাই। আমি জানি আমি বড় কিছু হতে পারব না। আমি শত চেষ্টা করেও পারব না, কারণ আমি মেয়ে। আর এই প্রজন্ম মেয়ে হয়ে জন্মানোর অর্থ ট্রমা। আমি কোনও জাতপাতকে ঘৃণা করি না। পুরুষদের ঘৃণা করি।' সাক্ষীর এই মন্তব্যের পর শোয়ের বিচারকরাও তাঁকে কটাক্ষ করেন।