সংবাদসংস্থা মুম্বই: টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদে সামিল হানি সিং!
ককরোচ জনতা পার্টির পাশে এবার হানি সিং। না, তিনি যন্তর মন্তরে যাননি। তবে অন্য ভাবে এই প্রতিবাদে যোগ দিলেন। এদিন মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল তাঁর নতুন গান 'মুনলাইট' -এর টিজারের। কিন্তু ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদের সমর্থনে তিনি সেটা পিছিয়ে দিলেন। সেটা ঘোষণা করে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেন হানি সিং। লেখেন, 'আমাদের দেশের যুবদের সেন্টিমেন্টের কথা মাথায় রেখে আমি আমার গান 'মুনলাইট' -এর টিজার মুক্তি পিছিয়ে দিচ্ছি কিছুদিনের জন্য। ভোলানাথ এই বাচ্চাদের শক্তি দিন।'

এখনও বাবার মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি এষা এবং অহনা!
ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর বেশ কয়েক মাস কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও বাবার মৃত্যুশোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি তাঁর দুই কন্যা। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন হেমা মালিনী। ধর্মেন্দ্র মৃত্যুর পর পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন। তাঁর হয়ে সেই সম্মান গ্রহণ করেছেন তাঁর স্ত্রী হেমা। সম্প্রতি সেই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেতা তথা সাংসদ বলেন, 'আমি আমার দুই মেয়েকে পাগলের মতো কাঁদতে দেখেছি। উনি ওঁর পরিবারকে এত কিছু দিয়েছেন, আমাদের দুই মেয়েকে ওঁকে পাগলের মতো ভালবাসত। আমার ৫টি নাতি নাতনি। প্রত্যেকে ওঁকে ভালবাসে। আজ যখন ও নেই, আমি একা পথ চলছি। সবসময় ওঁর কথা মনে পড়ে।' হেমা আরও জানান ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর এতগুলো মাস পরেও তাঁর মৃত্যুশোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি এষা এবং অহনা দেওল।
মুম্বইয়ের প্রতিবাদে আটক স্বরার স্বামী!
মুম্বইয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে চলা প্রতিবাদে যোগ দিয়েছিলেন স্বরা ভাস্করের স্বামী ফাহাদ আহমেদ। আর সেই সময়ই তাঁকে আটক করে পুলিশ। তোলা হয় ভ্যানে। এদিন স্বামীর আটক হওয়ার একটি ছবি পোস্ট করেন স্বরা। সেখানেই তিনি জানান ফাহাদ সহ সমস্ত প্রতিবাদকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে দাদরের চৈত্যভূমির কাছ থেকে। সোনম ওয়াংচুককে অনশন মঞ্চ থেকে জোর করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে এদিন তাঁরা জমায়েত করেছিলেন। প্রসঙ্গত গত ২৮ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। গত শনিবার তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। নিটের প্রশ্ন পত্র বারবার ফাঁস হওয়ার প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির তরফে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি তুলেছে। সেই দাবিতেই অনশনে বসেছিলেন সোনম।
















