বিভাস ভট্টাচার্য: হেরে গিয়েছেন সবং বিধানসভা কেন্দ্রে। পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে তাঁর একসময়ের সঙ্গী বিজেপির অমল পণ্ডা-র কাছে। কিছুদিন পরেই সবংয়ের পরাজিত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মানস ভুঁইয়া জানিয়েছেন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গ ত্যাগ করেছেন। রাজ্য রাজনীতিতে গুঞ্জন, তবে কি ফের মানস ভুঁইয়া ফিরে যাচ্ছেন কংগ্রেসেই। 

তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যোগ দিলেও রাজ‌্য রাজনীতিতে মানসের উত্থান কংগ্রেসর হাত ধরেই। যেটুকু পরিচয় তিনি পেয়েছেন তার অধিকাংশটাই কংগ্রেস রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার সুবাদে। পরবর্তী সময়ে তিনি দল পাল্টে তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে ঢুকে পড়েন। কিন্তু ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর তিনি তৃণমূল দলের সঙ্গ ত্যাগ করেন। সবংয়ে প্রথমে গুঞ্জন ছড়িয়ে যায় তিনি বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন। কিন্তু স্থানীয় স্তরে যেভাবে রাজ্যের এই প্রাক্তন সেচমন্ত্রীকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে তাতে এই সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ বা নেই বললেই চলে। যদিও রাজনীতিতে 'স্থায়ী শত্রু' বা 'স্থায়ী মিত্র' বলে কিছু হয় না। ফলে কখন কী হয় সেটা কেউই বলতে পারে না। 

এর পরের প্রশ্নটাই হল রাজনীতির ময়দানে যদি মানস থাকতে চান তাহলে কি তাঁর গন্তব্য কংগ্রেস হতে পারে? সোমবার রাজ্য বাজেট সম্পর্কে বলার ফাঁকে বিধান ভবনে রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, মানস ভুঁইয়া কি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন? যার উত্তরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুই বিঘা জমি কবিতার লাইন তুলে সভাপতি বলেন, "অবারিত মাঠ, গগন ললাট...."। যার অর্থ দরজা খোলা। যোগাযোগ কি হয়েছে? না, সরাসরি কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। শুভঙ্কর এবং দলের তরফে মিতা চক্রবর্তী বলেন, "বিজেপি এবং আরএসএস-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সকলকেই স্বাগত।"