আজকাল ওয়েবডেস্কঃ রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর সোমবার পেশ হল প্রথম রাজ্য বাজেট। বিভিন্ন জনমোহিনী প্রকল্প এবং সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গে ধর্মীয় স্থানগুলিতে আধ্যাত্মিক ভাবধারা এবং পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রতি বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়েছে। এদিন রাজ্য বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রীর ডাঃ স্বপন দাশগুপ্ত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, "পশ্চিমবঙ্গ তার সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত। এসব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলি সংরক্ষণ ও তার প্রসার ঘটানো অত্যন্ত প্রয়োজন।  রাজ্যে কালীঘাট, তারাপীঠের বিখ্যাত কালীমন্দির,  জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, মদনমোহন মন্দির, জল্পেশ মন্দির, ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি, মা কল্যাণেশ্বরী, তারকেশ্বর, কঙ্কালীতলা, ক্রিকেটেশ্বরী, কোন্নগর এবং বিভিন্ন শক্তিপীঠের মধ্যে ঐতিহ্যবহনকারী স্থানগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বাঙ্গীণ পরিকল্পনা প্রস্তুত করে হেরিটেজ কমিশন পুনর্গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একটি বেঙ্গল শক্তি সার্কিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটা প্রধান জেলা শহরকে কেন্দ্র করে এবং একাধিক মন্দিরকে সংযুক্ত করে উপযুক্ত পর্যটন কর্মসূচি তৈরি হবে। যা ভামরীদেবী, নন্দীকেশ্বরী, তারাপীঠ, বক্রেশ্বর, ফুল্লরা এবং কঙ্কালীতলা মন্দিরকে অন্তর্ভুক্ত করবে। শ্রীশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর সামাজিক ধর্মীয় চিন্তাভাবনার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে চৈতন্য মহাপ্রভু তীর্থযাত্রা সার্কিট আমাদের গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।" 

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, আজ যে বাজেট ঘোষণা হয়েছে সেটা জনমুখী বাজেট। বিশেষ করে সনাতনী যে কালচার সেই কালচারকে টিকিয়ে রাখার জন্য, সেই কালচারকে মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বাজেটে। আমি সাধুবাদ জানাই আমাদের অর্থমন্ত্রীকে এবং সাধুবাদ জানাই মুখ্যমন্ত্রীকে তাদের এই জনমুখী ও জনকল্যাণমূলক বাজেটের জন্য। কেননা গত ১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে একতরফা একটা কমিউনিটির জন্য বাজেট হয়েছিল সেটা সার্বিকভাবে হয়নি এখন সেটা হবে।"

শান্তনু বলেন, "ঠাকুরবাড়ির জন্য যেটা করেছে তার জন্য আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। ঠাকুরবাড়িও একটা ঐতিহ্যমন্ডিত জায়গা যে জায়গাতে বাংলাদেশ থেকে দর্শনার্থীরা আসে এখানে দর্শন করতে ঠাকুরের ধামকে। এখানে উন্নয়ন হলে স্বাভাবিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন হবে এবং আমাদের সরকারেরও সুনাম হবে। এই কর্মকাণ্ডের জন্য আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাই।"