আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিপা নিয়ে আতঙ্ক রাজ্যে। সেই আতঙ্ক যেন কয়েকগুণ বাড়ল বৃহস্পতিবার। সূত্রের খবর, এদিন দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মৃত্যু হয়েছে আক্রান্ত নার্সের। সূত্রের খবর, রাজ্যে প্রথম নিপা আক্রান্ত কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। 

 

গত বছর বছরের শুরুতে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দু'জন নার্স বারাসাতের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। জানুয়ারি মাসেই একজনসুস্থ হয়ে যাওয়ার কারণে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।

 

শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে অপর মহিলা নার্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যদিও পরে জানা যায়, তিনিও ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন।  সূত্রের খবর, সিসিইউতে ভর্তি থাকার কারণে সেকেন্ডারি সংক্রমনের লক্ষণ দেখা যায়। মূলত ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা যায়। শারীরিক অবস্থার বিচারেওই নার্সকে ভেন্টিলেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ১১ই ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ বুধবার।

 

 

 বৃহস্পতিবার পৌণে পাঁচটা নাগাদ ওই মহিলা নার্সের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। নার্সের মৃত্যুতে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে দেখছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। 

স্বাস্থ্যকর্মী মহিলা নার্সের মৃত্যুর বিষয় নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, রোগীর মৃত্যুর মূল কারণ কার্ডিয়াক এরেস্ট বা হৃদরোগ জনিত কারণ। নিপা ভাইরাসের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়নি। হাসপাতালে ভর্তির সময় তাঁর নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ পজেটিভ পাওয়া গেলেও দ্বিতীয়বারে তার নিপা ভাইরাসের  সংক্রমণের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তবে ওই বেসরকারি হাসপাতালে সিসিইউ তে ভর্তি থাকার সময় তার ফুসফুসে সংক্রমণ বা ইনফেকশনের কারণে ভেন্টিলেশনে পাঠানো হয়। মূলত নার্সের মৃত্যুর কারণ এই ইনফেকশনের কারণেই ঘটেছে বলেই জানিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।

আগেই জানা গিয়েছিল,  বয়স ২২ এবং ২৫ বছর। জানা গিয়েছে তাঁদের একজন সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানে গিয়েছিলেন। একজনের বাড়ি সেখানেই, অপরজনের বাড়ি নদিয়ায়। জানুয়ারি মাসেই জানা গিয়েছিল, কাটোয়ার বাসিন্দা নার্স, তিনি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ডিসেম্বরের শেষে। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে সেখানে ভর্তি করা হয়, পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় স্থানান্তরিত করা হয় বলে খবর সূত্রের।