দীক্ষা ভুঁইয়া: ব্যারাকপুরের বড়াখানায় বৃহস্পতিবার হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তাঁর সকলের মাঝে মধ্যাহ্নভোজ সারার বিষয়টি এখনও বিশ্বাসই করতেই পারছেন না পুলিশকর্মীরা। 


পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক থেকে শুরু করে কনস্টেবলদের মাঝে বসে মধ‍্যহ্নভোজন সারলেন তিনি। বহু ক্ষেত্রেই ভোট প্রচারে গিয়ে সাধারণ মানুষের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ করতে দেখা যায় পাওয়া সব দলের নেতা নেত্রীকে। তাই বলে মুখ্যমন্ত্রী, তাঁদের মাঝে বসে? ভাবতেই পারছেন না অনেকে। 

ক্ষমতায় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী হিসাবে বৃহস্পতিবার ব্যারাকপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে (পিটিপি) আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ‘বড়াখানা’অনুষ্ঠানে গিয়ে কনস্টেবলদের সঙ্গে বসে মধ‍্যাহ্নভোজন সারেন। এক উচ্চপদস্থ পুলিশকর্তার কথায়, “মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরে আলাদা জায়গায় ওঁনার খাওয়ার জন্য আমরা ব্যবস্থা করেছিলাম কিন্তু উনি সঙ্গে সঙ্গে নাকচ করে বলেন সকলের মাঝে বসে খাব।”

কিন্তু কী কী মেনু ছিল আজকের মধ‍্যহ্নভোজনে?
সূত্রের খবর, ভাত, ডাল, ঝুরো আলুভাজা, শুক্তো, ধোঁকার ডালনা, কাতলা মাছের কালিয়া থেকে শুরু করে চিকেন, মটন তো ছিলই। শেষ পাতে চাটনি, পাঁপড় এবং অবশ্যই বাংলার রসগোল্লা! 
এহেন আয়োজনের পাশাপাশি সকলের বিশেষ করে পুলিশ কর্মীদের মন জয় করেছে তাঁদের সঙ্গে বসে মুখ‍্যমন্ত্রীর মধ‍্যাহ্নভোজন। আজকের অনুষ্ঠানে উচ্চপদস্থ আধিকারিক থেকে কনস্টেবল পদমর্যাদার মোট ২০০০ জন পুলিশকর্মীর জন্য এই বিশেষ মধ‍্যাহ্নভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল বলেই পুলিশ সূত্রের খবর ।