মিল্টন সেন,হুগলি: উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে চন্দননগর পুরনিগমের তরফে শুরু হয়েছে 'আমার চন্দননগর, আমার ভাবনা’ প্রচারাভিযান। নেওয়া হচ্ছে জনগণের মতামত। শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে টাস্ক ফোর্স।
পুরপ্রশাসক আইএএস দিলীপ মিশ্রের নেতৃত্বে নগর উন্নয়ন এবং উন্নত নাগরিক পরিষেবার লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ চন্দননগর পুর নিগমের। পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নগরোন্নয়নে জনসাধারণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। শহরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্যে চন্দননগরের বাসিন্দাদের থেকে নতুন ধারণা এবং পরামর্শ আহ্বান করা হয়েছে। ‘আমার চন্দননগর, আমার ভাবনা’ অভিযানের মাধ্যমে নাগরিক, ছাত্রছাত্রী, সামাজিক সংগঠন, বাজার কমিটি, এনজিও এবং বিভিন্ন পেশার বাসিন্দার থেকে স্যানিটেশন, ড্রেনেজ, রাস্তা, রাস্তার আলো, পানীয় জল, ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা, পর্যটন, ঐতিহ্য সংরক্ষণ, নদী তীর উন্নয়ন, সবুজায়ন, নারী সুরক্ষা এবং ডিজিটাল নাগরিক পরিষেবার মতো বিষয়গুলি উন্নত করে তুলতে মতামত জানাতে উৎসাহিত করা হয়েছে।
১৫ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই পরামর্শ জমা দেওয়া যাবে। পাশাপাশি গঠন করা হয়েছে নির্মল স্ট্র্যান্ড টাস্ক ফোর্স, হেরিটেজ সাইট কনজারভেন্সি টাস্ক ফোর্স এবং বড়-স্তরের কুইক রেসপন্স টিম। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল দ্রুত আবর্জনা অপসারণ, জনবহুল স্থানগুলির নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা এবং চন্দননগরের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির উন্নত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা।
সরকারি আদেশ অনুযায়ী, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ স্ট্র্যান্ড রোডকে তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত করে বিশেষ সাফাই কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, দৈনিক পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য অপসারণ, ডাস্টবিন রক্ষণাবেক্ষণ এবং অবৈধ দখল ও দৃশ্য দূষণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে। পুরনিগমের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, কন্ট্রোল রুম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য মাধ্যমে প্রাপ্ত আবর্জনা তথ্য যেমন জমে থাকা জল, নোংরা স্থান এবং উপচে পড়া ময়লার পাত্র সম্পর্কিত অভিযোগের দ্রুত সমাধান করবে। কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ছবি সহ দৈনিক কর্ম-প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।















