আজকাল ওয়েবডেস্ক: বীরভূমে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের আত্মীয়ের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ও সোনা উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মহম্মদবাজার থানার পুলিশের দীর্ঘ প্রায় ২০ ঘণ্টার তল্লাশি অভিযানে মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় সাড়ে ২৮ কোটি টাকা এবং ১৫ কেজি সোনা। টাকা ও সোনার আনুমানিক মোট মূল্য প্রায় সাড়ে ৫০ কোটি টাকা বলে জানা গিয়েছে। এবার বোলপুর থেকে আটক এক যুবক। তাহলে কি এখানেও টুলু-যোগ? এলাকায় চাপা গুঞ্জন।
বোলপুরের ভুবনডাঙায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশি অভিযান চলে, সমীন্দ্রপল্লি থেকে আটক করা হয় রাকিব নামের যুবকে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভুবনডাঙায় বড়সড় পুলিশি অভিযানের পর রাকিব নামে এক যুবককে আটক করল বোলপুর থানার পুলিশ। শান্তিনিকেতনের গুরুপল্লি লাগোয়া সমীন্দ্রপল্লি এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। দীর্ঘক্ষণ এলাকায় পুলিশি টহল ও চিরুনি তল্লাশির পর রাকিবকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
রাত ন'টা পেরোতেই প্রায় দশটি পুলিশের গাড়ি নিয়ে ভুবনডাঙায় শুরু হয় অভিযান। বোলপুরের অ্যাডিশনাল এসপি মানবেন্দ্র দাসের নেতৃত্বে অভিযানে ছিলেন বোলপুর থানার আইসি এবং শান্তিনিকেতন থানার ওসি-সহ বিশাল পুলিশবাহিনী যান বলেই খবর সূত্রের। ভুবনডাঙা ও সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি।
তবে ঠিক কী কারণে রাকিবকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি। সূত্রের দাবি, রাকিবের সঙ্গে বীরভূমের বিতর্কিত পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল ওরফে মোহাম্মদ নিজামুদ্দিনের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই মোহাম্মদবাজারে টুলু মণ্ডলের আত্মীয়ের বাড়ি এবং সিউড়িতে তাঁর নিজের বাড়িতে পুলিশি অভিযান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভুবনডাঙা ও সংলগ্ন এলাকায় টুলু মণ্ডলের আর্থিক লেনদেনের কোনও সূত্র রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি। তবে রাকিবকে আটকের সঙ্গে সেই তদন্তের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এখন রাকিবকে জিজ্ঞাসাবাদে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর।
















