মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Lifestyle: লজ্জায় কোণঠাসা হয়ে যাচ্ছেন? 'টক্সিক শেম' থেকে কীভাবে বের করে আনবেন নিজেকে ?

নিজস্ব সংবাদদাতা | ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৮ : ০৭


আজকাল ওয়েবডেস্ক: আশেপাশে এরকম অনেক মানুষ আছেন যাঁরা অন্যের সঙ্গে মিশতে, কথা বলতে লজ্জিত হন। ছোটদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা যায়। আমরা অনেকেই বলে থাকি "অমুক মেয়েটা/ছেলেটা মিশুকে নয়"! কিন্তু তাঁরা কেন মানুষের সঙ্গে মেশে না, বা মিশতে চায় কিনা সেটা ভেবে দেখি না। থেরাপিস্টের মতে, "টক্সিক শেম" থেকে এই সমস্যা তৈরি হয়।
এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে "টক্সিক শেম" কি? যে শিশুটি প্রতিক্ষেত্রে প্রত্যাখ্যাত হয়, সে একটা সময়ের পরে নিজের ভিতরে কুঁকড়ে যেতে থাকে ক্রমে। মন খুলে কথা বলতে চায় না। মানুষের সঙ্গে মিশতে চায় না। সে ভাবে, কথা বলতে গেলেই কেউ হয়তো তাঁকে শরীর, পোশাক, বা নিছক তাঁর উপস্থিতি নিয়েই মজা করবেন। সেই ভয়েই সে জড়োসড়ো হয়ে থাকে। এই আচরণের কারণ "টক্সিক শেম"!
এই মানসিক বোঝা অনেক রকম ভাবে শরীরকে প্রভাবিত করতে পারে। নির্দিষ্ট ব্যক্তি মনে করতে পারেন, "আমি যা করছি বা ভাবছি সবটাই বোধহয় ভুল!" তাঁর মনে সংকোচ দানা বাঁধবে।
ওই ব্যক্তি ক্রমে সৃজনশীল কিছু করার ইচ্ছে হারিয়ে ফেলবেন। শুধু তাই নয়, কাজের প্রতি একাগ্রতা কমে যাবে তাঁর। পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে এরকম ঘটনা আমরা প্রায়শই দেখি। সেক্ষেত্রে তাকে শাসন করার আগে তার মনের কথা জানা জরুরি বলে মনে করছেন থেরাপিস্ট।
খেয়াল করলে দেখা যাবে, কাজের ব্যাপারে কিছু মানুষ খুব খুঁতখুঁতে। সব কিছু পারফেক্ট করাই লক্ষ্য তাঁর। এই মনোভাব তাঁকে অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে অনেক সময়।
লোকে কী ভাববে- এই ভাবনা কমবেশি সকলকেই প্রভাবিত করে। "টক্সিক শেম" থাকলে সমস্যাটা আরও জোরালো হয়। তখন চেনা মানুষের ভিড়েও নিজেকে অবাঞ্ছিত মনে হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।
 



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া