আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো যে মঞ্চ থেকে আগামীর লড়াইয়ের বার্তা দেন, ঠিক সেখান থেকে মমতা ব্যানার্জিকে একাধিক ইস্যুতে বিঁধলেন অমিত শাহ। একই দিনে, বিধানসভা থেকে নাম না করে বিজেপিকে কটাক্ষ করলেন মমতা। এর আগেও বহুবার তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো সহ দলের নেতা নেত্রীরা সুর চড়িয়েছেন কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে। আজ যখন শহরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তখনও বঞ্চনার কথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। তিনি বলেন, "গেরুয়া পরলেই সাধু হওয়া যায় না। আমাদের প্রাপ্য টাকা দিয়ে নিজেদের ছবি লাগাচ্ছে। সব গেরুয়া করে দিয়েছে।" শুধু বিজেপি নয়, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বামেদের দিকেও আঙুল তুলেছেন। ডিএ অর্থাৎ মহার্ঘ ভাতা নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলনে রাজ্য সরকারি কর্মীরা। তুলনায় উঠে আসছে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের মহার্ঘভাতা। মমতা ব্যানার্জি বুধবার বিধানসভায় বলেন, "মহার্ঘ ভাতা বাধ্যতামূলক নয়, ঐচ্ছিক।" একই সঙ্গে তিনি বামেদের আক্রমণ করে বলেন, বামেদের জন্যই সমস্যা, এখনও তাদের দেনা শোধ করতে হচ্ছে সরকারকে। একই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন, ২০১৯ সাল পর্যন্ত পঞ্চম বেতন কমিশনকে গুরুত্ব দিয়েই ডিএ দেওয়া হয়েছে। বুধবারের শীতকালীন অধিবেশনে বিরোধীরা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। সেখানেই মহার্ঘ ভাতা সম্পর্কে মতামত দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারের কর্মীদের বেতন কাঠামো, সুযোগ সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি নিয়েও জবাব দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যাঁরা কোটি কোটি টাকার বিধায়ক, তাঁদের বেতন লাগে না। কিন্তু আমার অনেক বিধায়ক রয়েছেন, যাঁরা চাষ করেন।" একদিকে ধর্মতলায় শাহের মুখে যেমন তৃণমূলের দুর্নীতি প্রসঙ্গ, জেলবন্দী নেতা মন্ত্রীদের নাম, অন্যদিকে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, "যাঁদের কোটি কোটি টাকা, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।"
Mamata Banerjee: ডিএ ঐচ্ছিক, বাধ্যতামূলক নয়, বিধানসভায় সাফ বার্তা মমতার
















