আর্জেন্টিনা - ০
স্পেন - ০
আজকাল ওয়েবডেস্ক: লুইস ডে লা ফুয়েন্তের স্ট্রাটেজিতে বোতলবন্দি লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা-স্পেনের মেগা ফাইনালের প্রথমার্ধ গোলশূন্য। প্রথম ৪৫ মিনিট হাতেগুনে তিন থেকে চারবার বল ছোঁয়ার সুযোগ পান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। টিপিক্যাল স্প্যানিশ ফুটবল। মিডল করিডোর দিয়ে আক্রমণের যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। ফলে আটকে গেলেন মেসি। আটকে গেল আর্জেন্টিনা। বরং, অনেক বেশি পজিটিভ ফুটবল স্পেনের। বেশ কয়েকটা ভাল মুভে বিপক্ষের বক্সে ঢুকে পড়েন ইয়ামাল, ওয়ারজাবালরা। গোলের সুযোগও এসেছিল। কিন্তু দুই কোচের স্ট্র্যাটেজিকাল ফুটবলে গোলমুখ খুলতে পারেনি কোনও দলই।
মেগা ফাইনালে ৪-১-২-৩ ফরমেশনে শুরু করে স্পেন। অপরিবর্তিত দল। আবার প্রথম একাদশে রাখা হয়নি পেড্রিকে। সেখানে ৪-৪-২ ছকে দল সাজান লিওনেল স্কালোনি। সামনে লিওনেল মেসির সঙ্গে জুলিয়ান আলভারেজ। দলে তিনটে বড় পরিবর্তন করেন আর্জেন্টিনার কোচ। রাখেননি মোলিনা, পারেডেস এবং সিমিওনেকে। তাঁদের বদলে প্রথম একাদশে ফেরেন মন্টিয়েল, ডি পল এবং নিকো গঞ্জালেজ। এর থেকেই স্কালোনির মনোভাব স্পষ্ট। স্পেনের মাঝমাঠকে টক্কর দেওয়ার জন্য স্ট্রাটেজি বদল। কিন্তু স্পেনের পজেশনাল ফুটবলের সামনে বিশেষ কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তুলনায় অনেক ওপেন ফুটবল খেলে স্পেন। সিংহভাগ বল পজেশন ছিল ইউরো চ্যাম্পিয়নদের।
৬৪ বছর পর প্রথমবার কোনও দলের বিশ্বকাপ ধরে রাখার হাতছানি ছিল। অন্যদিকে দ্বিতীয় বিশ্বকাপের লক্ষ্যে নামে স্পেন। অনেক বেশি সংগঠিত ফুটবল লুইস ডে লা ফুয়েন্তের দলের। ম্যাচের ৫ মিনিটে গোলে লক্ষ্য করে প্রথম শট স্পেনের। ওলমোর থেকে লামিনে ইয়ামালের শট বাঁচান মার্টিনেজ। তার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আবার বক্সে প্রবেশ করেন ১৯ বছরের তারকা। কিন্তু বিপদ সৃষ্টি করতে পারেননি। কাউন্টার অ্যাটাকে বল পেয়ে যান মেসি। কিন্তু গোল ছেড়ে বেরিয়ে বল ক্লিয়ার করেন স্পেনের গোলকিপার সাইমন।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে আবার সুযোগ স্পেনের। ইয়ামালের শট তালুবন্দি করেন মার্টিনেজ। প্রথমার্ধে স্পেনের সবচেয়ে ব্যস্ততম ফুটবলার কুকুরেয়া। বাঁ দিক দিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণে ওঠেন। গোলও পেতে পারতেন। কিন্তু প্রথমার্ধের শেষদিকে তাঁর শট একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তার কয়েক মিনিট আগে গোলের সুযোগ পান ওয়ারজাবাল। কিন্তু লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। এদিকে ম্যাচের ২১ মিনিটে বলে দ্বিতীয় টাচ মেসির। এই তথ্যই ফাইনালের গতিপ্রকৃতি বলে দিচ্ছে। স্পেনের থেকে এই ফুটবল প্রত্যাশিত। প্রথমার্ধে একটাও পজিটিভ সুযোগ নেই আর্জেন্টিনার। বলের দখল রাখতেও ব্যর্থ। গোদের ওপর বিষফোঁড়া। প্রথমার্ধেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। পরিবর্ত হিসেবে নামেন ওটামেন্ডি। এটা আর্জেন্টিনার জন্য ধাক্কা।
















