আজকাল ওয়েবডেস্ক: পর্তুগালের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর রেফারিং নিয়ে সরব হন ক্রোয়েশিয়ার কোচ জলাটকো ডালিচ। সরাসরি বলেন, 'জঘন্য রেফারিং।' তবে পাশাপাশি জানান, রেফারির ভুলকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার অজুহাত হিসেবে দেখাতে চান না। ম্যাচ শেষে এমন মন্তব্য করেন মডরিচদের কোচ। দাবি করেন, একাধিক ফ্রিকিক দেওয়া হয়নি তাঁদের। যা ম্যাচের রেজাল্ট প্রভাবিত করতে পারত। পাশাপাশি জানান, বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের বিরুদ্ধেও গিয়েছে। তবে মেনে নেন, গোলমুখে আরও সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল ক্রোয়েশিয়ার।
ডালিচ বলেন, 'খুব খারাপ রেফারিং। ক্রোয়েশিয়ার আরও ফ্রিকিক পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমরা হেরেছি। আমি কোনও অজুহাত দিতে চাই না। আমরা আগেই ম্যাচটা জিতে যেতে পারতাম।' দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণ কামব্যাক পর্তুগালের। কিন্তু গোটা ম্যাচে চারটে গোল অফসাইডের জন্য বাতিল করা হয়। তারমধ্যে তিনটে ক্রোয়েশিয়ার। একটা পর্তুগালের। যা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না সমর্থকরা। ম্যাচ শেষে হতাশায় ভেঙে পড়ে ভক্তরা। রেফারির গোলের পর গোল বাতিল করার সিদ্ধান্তে অবাক ক্রোয়েশিয়ার কোচ।
প্রথম গোলের দু'মিনিট পরই মাতানোভিচের শটে ব্যবধান বাড়াতে পারত ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায় গোল। এরপর ম্যাচের ৮০ মিনিটে পেরিসিচের পাস থেকে গোল করেন সুচিচ। কিন্তু অফসাইডের জন্য আবার গোল বাতিল করা হয়। তৃতীয় গোল বাতিল একেবারে অন্তিম মুহূর্তে। খেলা শেষ হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে সমতা ফেরায় ক্রোটরা। কিন্তু অফসাইডের জন্য গোল বাতিল হয়ে যায়। মিনিটের মধ্যে মডরিচদের উচ্ছ্বাস বদলে যায় নিস্তব্ধতায়। ১০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। কিন্তু সেটা গড়ায় প্রায় ১৯ মিনিটে। ম্যাচের ৯০+১৩ মিনিটে ২-২ করেন গাভারদিওল। দেখে মনে হয়েছিল পর্তুগালের রুবেন নেভেসের গায়ে লেগে বল গোলে ঢুকেছে। সুতরাং, ন্যায্য গোল। কিন্তু পাসালিচকে অফসাইড দেওয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যে ক্রোটদের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।















