আজকাল ওয়েবডেস্ক: চোটের জন্য টি–২০ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছেন প্যাট কামিন্স। অ্যাশেজেও মাত্র একটিই টেস্ট খেলেছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, না খেলার জন্য পিঠের চোটই কারণ। তবে আরও একটি কারণ রয়েছে।
কামিন্স স্বয়ং জানিয়েছেন, কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি তিনি। অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ও একদিনের দলের অধিনায়ক বলেন, ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। আমার হাতে সময় একেবারেই ছিল না। এখনও কয়েক সপ্তাহ বিশ্রাম দরকার। তাই বিশ্বকাপে খেলার মতো পরিস্থিতি ছিল না। আর ঝুঁকি নিতে চাইনি।’
এটা ঘটনা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে চোট পেয়েছিলেন কামিন্স। অ্যাশেজে একটিই মাত্র টেস্ট খেলেছিলেন। তার পর আর মাঠে নামেননি। শোনা গিয়েছিল, টি–২০ বিশ্বকাপের কথা ভেবেই কামিন্সকে আর খেলানোর ঝুঁকি নেননি নির্বাচকরা। আর অস্ট্রেলিয়ারও তখন অ্যাশেজ জেতা হয়ে গিয়েছিল। যদিও কামিন্স বলেছেন, ‘অ্যাডিলেড টেস্টের পরেই বুঝতে পেরেছিলাম আরও চার থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগবে হাড়ের চোট ঠিক হতে। তারপর অনুশীলন শুরু করতে পারব। প্রথমে ভেবেছিলাম, চার সপ্তাহেই সুস্থ হয়ে উঠব। কিন্তু এরপর স্ক্যানের পর বুঝতে পারি, আরও সময় লাগবে। জানি না, কবে পুরোপুরি সুস্থ হতে পারব।’
এদিকে, টি–২০ বিশ্বকাপের পরেই শুরু হয়ে যাবে আইপিএল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলের অধিনায়ক কামিন্স। যা পরিস্থিতি তাতে আইপিএলের আগে কামিন্সের সুস্থ হওয়া মুশকিল।
তবে কামিন্সের সিদ্ধান্তের নেপথ্যে আরও একটি কারণ রয়েছে। তা হল টেস্ট ক্রিকেট। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টেস্ট খেলার দিকেই বেশি নজর তাঁর। যা পরিস্থিতি তাতে ২০২৫–২০২৭ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা অস্ট্রেলিয়ার অনেকটাই বেশি। তেমনটা হলে পর পর তিন বার ফাইনাল খেলবে তারা। সেখানে আবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কামিন্স। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠব। কারণ, পুরো সুস্থ না হলে টেস্ট খেলা যাবে না। আশা করছি এখনও দেশের হয়ে টেস্ট খেলে যেতে পারব।’
