আজকাল ওয়েবডেস্ক: অস্কার ব্রজোঁর হাত ধরে ২২ বছরের খরা কেটেছে ইস্টবেঙ্গলের। অধরা আইএসএল ঘরে এসেছে লাল-হলুদের। সেই সঙ্গে নতুন রেকর্ডও করে ফেলেছেন স্প্যানিশ মায়েস্ত্রো।
ক্লাবের হেডকোচ হিসেবে অস্কার ব্রজোঁ ২৫টি ম্যাচ জিতেছেন। তাঁর আগে আরও দু'জন ইস্টবেঙ্গল কোচ এই মাইলস্টোন ছঁয়েছিলেন। তাঁরা হলেন ফিলিপ ডি রাইডার ও ট্রেভর জেমস মর্গ্যান।
ব্রুজোঁ ৫২টি ম্যাচের মধ্যে ২৫টিতে জিতেছেন। রাইডার ৬৪টি ম্যাচের মধ্যে ২৬টিতে জিতেছিলেন। আর ট্রেভর জেমস মর্গ্যান ২০৬টি ম্যাচের মধ্যে ১৩০টিতে জিতেছেন।
ফিলিপ ডি রাইডার বড় দুঃসময়ে ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিয়ে লাল-হলুদকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন।
সে বড় সুখের সময় ছিল না ইস্টবেঙ্গলের। সুভাষ ভৌমিকের কোচিংয়ে আই লিগে মোহনবাগান ৫-৩ গোলে হারিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। তার পরের দিনই সুভাষ ভৌমিকের চাকরি যায়। আপৎকালীন ভিত্তিতে ফিলিপ ডি রাইডারকে কোচ করা হয়। দল নিয়ে গুয়াহাটিতে ফেডারেশন কাপ খেলতে চলে যান বেলজিয়াম কোচ। একটি গোলও হজম না করে ইস্টবেঙ্গল ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
মর্গ্যানকে নিয়ে এখনও নস্ট্যালজিক ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। তাঁর সময়ে ইস্টবেঙ্গল প্রায় সব জিতলেও আইলিগ জিততে পারেনি।
প্রাক্তন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত সরে যাওয়ার পরে অস্কার ব্রুজোঁর হাতে ওঠে লাল-হলুদের রিমোট কন্ট্রোল। এই মরশুমে অস্কার দুর্দান্ত এক মরশুম উপহার দেন। ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানকে ছিটকে দেয় ইস্টবেঙ্গল। আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে উঠেও শিল্ড হাতছাড়া হয় ইস্টবেঙ্গলের। টাইব্রেকারে জয় গুপ্তা পেনাল্টি নষ্ট করেন। সুপার কাপেও একই ছবি। মোহনবাগানকে গ্রুপ থেকে ছিটকে দেয় অস্কারের দল। ফাইনালে গিয়ে টাইব্রেকারে হার মানে ইস্টবেঙ্গল। সেবার পেনাল্টি শুট আউট থেকে গোল করতে পারেননি মহম্মদ রশিদ।
সেই রশিদ কিন্তু আইএসএলের শেষ ম্যাচে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে আইএসএল ট্রফি এনে দেন। অস্কার ব্রুজোঁর সঙ্গে পরের মরশুমের কথাবার্তা এখনও হয়নি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই হয়তো হবে। অস্কারের ভবিষ্যৎ তখনই জানা যাবে।















