আজকাল ওয়েবডেস্ক: হামিদ আহদাদের পর আরও একজন বিদেশিকে ছেড়ে দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। এবার পালা হিরোশি ইবোসুকির। লাল হলুদ জার্সিতে আর দেখা যাবে না জাপানি স্ট্রাইকারকে। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে শুক্রবারই শেষ প্র্যাকটিস ছিল হিরোশির। হয়ত এদিনই তাঁকে রিলিজ করে দেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

দিমিত্রিয়স ডিয়ামানটাকোসের জায়গায় নেওয়া হয়েছিল হিরোশিকে। রোগা, লম্বা, ছিপছিপে চেহারার জাপানি স্ট্রাইকারের ডার্বি দিয়ে কলকাতা ময়দানে অভিষেক হয়। শিল্ডের বড় ম্যাচে খেলেন। তাঁর দীর্ঘকায় চেহারা ভয় ধরায় বিপক্ষের ডিফেন্ডারদের। নেমেই গোল পেয়ে যাওয়ার মতো জায়গায় পৌঁছেও গিয়েছিলেন। তবে শেষপর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল কর্তা থেকে সমর্থকদের আশা পূর্ণ করতে পারেননি। সম্পূর্ণ ফিট নয়। চোট রয়েছে জাপানির। তাছাড়াও ডিয়ামানটাকোসেরবিকল্প হয়ে উঠতে পারেননি। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে আইএসএল। দেশের একনম্বর লিগ শুরু হওয়ার আগেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ইস্টবেঙ্গল। তাঁর পরিবর্তে নতুন স্ট্রাইকারের খোঁজে কলকাতার প্রধান।
মাত্র ১৭ বছর বয়সে জাপান থেকে উড়ে গিয়েছিলেন স্পেনে। প্রথম জাপানি ফুটবলার হিসেবে খেলেন স্পেনের সেভিয়াতে। বুলফাইটিংয়ের দেশে প্রথম যখন যান, তখন স্প্যানিশ জানতেন না। ট্রান্সলেটর নিয়ে ঘুরতেন। স্পেনের একাধিক ক্লাবে খেলেছেন তিনি। এ লিগেও খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ৩৪ বছরের স্ট্রাইকারের। কলকাতায় পা রাখার পর ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা ভেবেছিলেন জাপানি বোমায় ধ্বংস হবে প্রতিপক্ষ। কিন্তু হিতে বিপরীত। গোয়ার ফতোর্দা স্টেডিয়ামে সুপার কাপের ফাইনালে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে যে গোল মিস করেছেন, তা ক্ষমার অযোগ্য। দল ভাল খেললেও গোলের অভাবে একের পর এক হাতছাড়া হচ্ছে ট্রফি। ক্লেইটন ডি সিলভা, দিমিত্রিয়স ডিয়ামানটাকোসের পর এবার ব্যর্থ হিরোশি ইবোসুকি। কয়েকদিন আগেই হামিদকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, দু'জন বিদেশির খোঁজে ইস্টবেঙ্গল।
