আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধবার দুপুরে যখন তৃণমূল ভবনের ইনচার্জ সুবীর মজুমদার সাংবাদিকদের সামনে ২০২৭ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ থাকার দাবি করছিলেন, ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা পরেই কলকাতার রাজনৈতিক অলিন্দে ছড়িয়ে পড়ে এক নতুন খবর। তৃণমূল ভবনের মালিক ও মমতা ব্যানার্জির দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন ব্যবসায়ী মনোতোষ (মন্টু) সাহার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভবনের চারতলা ও পাঁচতলা থেকে জিনিসপত্র সরানোর পাশাপাশি বাইরের সবুজ দেওয়ালে সাদা প্রাইমার লাগানোর কাজ বুধবারও পুরোদমে চলেছে। রাজমিস্ত্রিরা জানিয়েছেন, তাঁদের দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল ভবনের নিচে এখনও জোড়াফুল আঁকা পতাকা উড়ছে এবং নামফলক জ্বলজ্বল করছে ঠিকই, কিন্তু ভেতরের পরিবেশ বেশ থমথমে। ১৫ বছর পর ক্ষমতা হারানোর ধাক্কার রেশ কাটতে না কাটতেই দলীয় কার্যালয় হাতছাড়া হওয়ার এই আশঙ্কায় নিচু তলার কর্মীরা। 

আপাতত তৃণমূল নেতৃত্ব ২০২৭ সালের আইনি ঢাল ব্যবহার করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও, জল বহুদূর গড়িয়েছে। মন্টু সাহা এখনও সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি।  কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকার এই বহুতলটি শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের সদর কার্যালয় হিসেবেই থেকে যাবে, নাকি ক্ষমতাচ্যুতির পর এটিও দলটির হাতছাড়া হবে—তার উত্তর লুকিয়ে রয়েছে আগামী কয়েক সপ্তাহের আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে।