তীর্থঙ্কর দাস: ভবানীপুর এলাকার আধুনিক বাড়িগুলোর মধ্যে আদ্যিকালের এই বাড়িটি যেন ইতিহাসের পাতা। ঢোকার সময়েই মনে হবে এযেন পুরনো কলকাতা। এই বাড়ির বাসিন্দা পরিমলবাবুর সংগ্রহের মূল বিষয় সূচিশিল্প। উনিশ শতক এবং বিশ শতকের অত্যন্ত জনপ্রিয় এক শিল্পকলা যা এখন প্রায় অবলুপ্ত।
সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল পদার্পণ করেছে শতবর্ষে। আবোল তাবোল-এর প্রত্যেকটি ছড়া সূচি শিল্পে। প্রতিটি ছড়া, সূঁচ এবং সুতো দিয়ে গেঁথে করা। পরিমল রায়ের বয়স ৮৮। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন জিনিস সংগ্রহ করে আসছেন তিনি। দেশলাইয়ের বাক্স থেকে শুরু করে পুরনো দিনের মুদ্রা, পোস্টকার্ড, স্ট্যাম্প পেপার, মাটির পুতুল, পুরনো ঘড়ি, ছবি কী নেই তার কাছে। ১৫-২০ বছর আগে থেকে নিজের গ্রামের বাড়ি, অন্যের বাড়ির পরিত্যক্ত সূচিশিল্প এবং সূচী চিত্রের কাজ সংগ্রহ শুরু।
গত পাঁচ বছর ধরে তিনি সংগ্রহ করছেন আবোল তাবোলের সূচিশিল্প। কয়েক হাত ঘুরে আজ এই অমূল্য রতন পরিমলবাবুর কাছে। শেষ যাঁর হাতে ছিল, তিনি মূল্য না বুঝে ফেলে দিচ্ছিলেন বলে জানালেন পরিমলবাবু। তিনি বুকে করে তুলে এনেছেন।
তাঁর অবর্তমানে এগুলোর কী হবে জিজ্ঞেস করতেই বলে উঠলেন, "এদের মধ্যে প্রাণ আছে, ভালো জিনিস ঠিক নিজের জায়গা খুঁজে নেবে।" জানুয়ারিতে এই সংগ্রহ নিয়ে প্রদর্শনী করার ইচ্ছে আছে তাঁর।
সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল পদার্পণ করেছে শতবর্ষে। আবোল তাবোল-এর প্রত্যেকটি ছড়া সূচি শিল্পে। প্রতিটি ছড়া, সূঁচ এবং সুতো দিয়ে গেঁথে করা। পরিমল রায়ের বয়স ৮৮। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন জিনিস সংগ্রহ করে আসছেন তিনি। দেশলাইয়ের বাক্স থেকে শুরু করে পুরনো দিনের মুদ্রা, পোস্টকার্ড, স্ট্যাম্প পেপার, মাটির পুতুল, পুরনো ঘড়ি, ছবি কী নেই তার কাছে। ১৫-২০ বছর আগে থেকে নিজের গ্রামের বাড়ি, অন্যের বাড়ির পরিত্যক্ত সূচিশিল্প এবং সূচী চিত্রের কাজ সংগ্রহ শুরু।
গত পাঁচ বছর ধরে তিনি সংগ্রহ করছেন আবোল তাবোলের সূচিশিল্প। কয়েক হাত ঘুরে আজ এই অমূল্য রতন পরিমলবাবুর কাছে। শেষ যাঁর হাতে ছিল, তিনি মূল্য না বুঝে ফেলে দিচ্ছিলেন বলে জানালেন পরিমলবাবু। তিনি বুকে করে তুলে এনেছেন।
তাঁর অবর্তমানে এগুলোর কী হবে জিজ্ঞেস করতেই বলে উঠলেন, "এদের মধ্যে প্রাণ আছে, ভালো জিনিস ঠিক নিজের জায়গা খুঁজে নেবে।" জানুয়ারিতে এই সংগ্রহ নিয়ে প্রদর্শনী করার ইচ্ছে আছে তাঁর।















