আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে পালা বদলের পর আর জি কর কাণ্ডে গতি পেয়েছে। আর সেই আবহে এবার সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকেরা পৌঁছলেন পানিহাটি শ্মশানে। ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন! কীভাবে সম্পূর্ণ দাহকার্য সম্পন্ন হয়েছিল, তার খুঁটিনাটি বিষয় সহ যাবতীয় তথ্য ও নথি জানতেই এদিন পৌঁছয় তদন্তকারী আধিকারিকারা।
আর জি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবারের তরফ থেকে আগেই দাবি করা হয়েছিল চিকিৎসক তরুণীর দেহ তড়িঘড়ি নিয়ে গিয়ে পানিহাটি শ্মশানে শেষকৃত্য করে দেওয়ার। সেই অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন শ্মশান ম্যানেজার ভোলানাথ পাত্র। তাঁকে জানানো হয়, স্থানীয় একটি মেয়ের দেহ আসবে। যদিও ততক্ষণে টিভির পর্দায় দেখে ঘটনার কথা জেনে গিয়েছিলেন শ্মশানে কর্মরত ম্যানেজার সহ কর্মীরাও।
এরপর শ্মশান এলাকায় ধীরে ধীরে ভিড় জমতে শুরু করে। সেখানে স্থানীয় বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধি সহ বিশাল পুলিশ বাহিনীও হাজির হয়েছিল। ফলস্বরূপ ঘটনাস্থলে রীতিমতো ভিড় জমে যায়।
পরিস্থিতি সামাল দিতেই তড়িঘড়ি নির্যাতিতা তরুনীর দেহ দাহ করা হয়। জানা গিয়েছে, আগে নম্বর থাকা সত্বেও, দুটি মৃতদেহ রেখে তৃতীয় নম্বরে থাকা ওই মেডিক্যাল ছাত্রীর দেহ দাহ করা হয়।
জানা গিয়েছে, গোটা এলাকায় বিপুল ভিড়ের কারণে পুলিশের তরফ থেকে বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। পাশাপাশি শ্মশান ম্যানেজারও চেষ্টা করেন দ্রুত কাজ করে শোকাহত পরিবারকে কিছুটা স্বস্তি দিতে।
নির্যাতিতা তরুনীর দেহ সৎকারের কাজ আগে সম্পন্ন করা হয়েছিল, এমনটাই দাবি করেন পানিহাটি শ্মশান ম্যানেজার ভোলানাথ পাত্র। যতক্ষণ দেহ সৎকার হয়েছে ততক্ষণ ওই গোটা এলাকায় ব্যাপক ভিড় ছিল সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শাসকদলের নেতা ও পুলিশদেরও।
বুধবার সিবিআই আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গেও কথা বলেন। সেদিনের ঘটনার খুঁটিনাটি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীদের ৩ সদস্যের একটি দল আসে। সেদিনের রেজিস্ট্রি খাতা সহ তদন্তের প্রয়োজনে কিছু নথিও সংগ্রহ করেন আধিকারিকরা।















