আজকাল ওয়েবডেস্ক: পহেলগাঁও হামলায় প্রাণ গিয়েছে ২৬ জনের। নৃশংস জঙ্গি হামলার পর থেকেই ক্রমে অবনতি হচ্ছে ভারত-পাক সম্পর্ক। সিন্ধু জল চুক্তি-সহ একাধিক পদক্ষেপে অবনতি হচ্ছে দুই দেশের সম্পর্কে।
বৃহস্পতিবার দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে জানিয়েছেন, কাউকে রেয়াত নয়। যদি কেউ ভাবছে সাধারণ মানুষের প্রাণ নিয়ে, লড়াই জিতে গিয়েছে, তাহলে ধারণা ভুল। লড়াই শেষ হয়নি এখনও। এই দেশের প্রতিটি কোনা থেকে সন্ত্রাসীদের মূল -সহ উপড়ে ফেলা হবে। সকলকে খুঁজে খুঁজে, বেছে বেছে জবাব দেওয়া হবে।
অন্যদিকে আস্ফালন দেখাচ্ছে পাকিস্তানও। তবে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, যদি ভারত-পাক যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে পাকিস্তানের কাছে এই মুহূর্তে যে পরিমাণ কামান মজুদ রয়েছে, তাতে চারদিনের বেশি যুদ্ধ চালাতে পারবে না পড়শি দেশ। সূত্রের খবর, সাম্প্রতিকসময়ে ইউক্রেনে অস্ত্র স্থানান্তরের কারণে, বিশেষ করে ১৫৫ মিমি আর্টিলারি শেল রপ্তানির কারণে দেশে অস্ত্রের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রের, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে বর্তমানে মাত্র ৯৬ ঘন্টা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত গোলাবারুদ রয়েছে, যা সামরিক মহলে গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দেশের প্রধান অস্ত্র উৎপাদনকারী সংস্থা পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (পিওএফ) পুরনো অবকাঠামো এবং সীমিত উৎপাদন ক্ষমতার কারণে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির চাহিদা পূরণে সক্ষম নয়। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে পিওএফের অগ্রাধিকার থাকা সত্ত্বেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে কাঠামো পরিমিত নয়।
প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া আগেই সে দেশের অর্থনৈতিক ও লজিস্টিক উভয় সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানের যুদ্ধের সীমিত ক্ষমতা সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। সে দেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট, আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি, ক্রমবর্ধমান ঋণ এবং জ্বালানি ঘাটতির কারণে সামরিক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ অনুশীলন স্থগিত-সহ একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। ঠিক সেই কারণেই, যদি বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয় পাকিস্তানের, তাহলে তাল সামলাতে পারবে না পড়শি দেশ। সূত্রের খবর তেমনটাই।
