আজকাল ওয়েবডেস্ক: শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে তর্জনি তুলে পথে 'ককরোচ'রা। এবার ভারতের 'ককরোচ'দের দেখে ওপার বাংলায় দাপাদাপি শুরু করতে চাইছে 'মুরগি'রা? নিশানায়, সে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাই। দাবি উঠছে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের। এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি নিয়ে সে দেশে যে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়, সেখানেই ব্রয়লার মন্তব্য সমানে আসে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগি বা ব্রয়লার মুরগি বলে মন্তব্য করা হয়।
এরপর থেকেই, ককরোচ জনতা পার্টির অনুকরণেই 'ব্রয়লার চিকেন পার্টি' নামের ব্যাঙ্গাত্মক প্রচার শুরু হয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে। ১৪ জুলাই সে দেশের জেন-জিরা চিকেন ব্রয়লার পার্টির পেজ খোলে।
তাদেরও দাবি, সে দেশের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। তবে এখনও তারা কেবল সোশ্যাল মিডিয়াতেই আবদ্ধ। ফেসবুকের ব্রয়লার চিকেন পার্টির একটি পেজের ফলোয়ার ৩৩ হাজার। সেখানে পেজটিকে অরাজনৈতিক বাংলাদেশপন্থি বিল্পবী সামাজিক প্ল্যাটফর্ম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত কত্যেকমাস ধরেই ধীরে ধীরে সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে পথে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টী। যন্তর মন্তরে টানা আন্দোলনে তারা। এসবের মাঝেই, বৃহস্পতিবার 'ককোরোচ জনতা পার্টি' এবং আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বিরাট আশ্বাস কেন্দ্রের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে পড়ুয়াদের দাবি নিয়ে সরকার 'যে কোনও সময়ে, যে কোনও স্থানে' আলোচনায় বসতে পুরোপুরি প্রস্তুত। আন্দোলনকারীদের কাছে গত মঙ্গলবার থেকে এই নিয়ে সরকারি তরফে মোট চার বার আলোচনার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আন্দোলনরত পড়ুয়াদের খোলাখুলি ভাবে আলোচনার জন্য আহ্বান জানান তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য,"গতকাল বিকেল থেকে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের কাছে আলোচনার জন্য চারবার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। নবীন প্রজন্মের বন্ধুদের প্রতি সরকারের বার্তা স্পষ্ট—আপনাদের সুবিধাজনক সময়ে যেকোনও বিষয়ে যে কোনও স্থানে আলোচনায় বসতে আমরা প্রস্তুত।"
















