আজকাল ওয়েবডেস্ক: জল্পনার অবসান? দফায় দফায় বৈঠক মিটিয়ে, সোমেই, স্পিকারের কাছে জমা পড়ে গেল তৃণমূলের ২০ সাংসদের সই করা চিঠি! সূত্রের খবর তেমনটাই। জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে, সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদদের চিঠি জমা পড়েছে ওম বিড়লার কাছে।

 

এর আগেই, বিধানসভায় পরিষদীয় দল হাতছাড়া হয়েছে। ৮০ বিধায়কের, ৫৮ জন সই করেছেন টিম ঋতব্রততে। তারপর থেকেই নজর ছিল সংসদে। ২৮ সাংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ বিক্ষুব্ধ, অনাস্থা অভিষেকে, জল্পনা ছিলই। সোমে সেই জল্পনার  অবসান, সূত্রের খবর তেমনটাই। 

 

তথ্য, যেহেতু দুই তৃতীয়াংশের বেশি বিধায়ক বিক্ষুব্ধ, ফলে তাঁদের উপরে লাগু হবে না দলত্যাগ বিরোধী আইন। এই বিষয়টিও একেবারে হুবহু বিধানসভার ছকেই ঘটল সংসদে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে, তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক হিসেবে চিঠি দিয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দলনেতা কে হচ্ছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে সংবাদমাধ্যমে কাকলি সাফ জানান, এই সবে চিঠি দেওয়ার মতো প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে, ধীরে ধীরে বাকি সব ধাপ সম্পন্ন হবে। এনডিএ'র শরিক হয়েই তাঁরা আগামী দিনের লড়াই করতে চান, জানিয়েছেন তাও। 

 

 

একদিকে সংসদে যখন রক্তক্ষরণ, তখন কলকাতাতেও চমক বড়। নীলবাড়ি হাতছাড়া হয়েছে মে মাসে। জুনে তৃণমূলের হাতছাড়া হল কলকাতার ছোট লালবাড়ি, ফিরহাদের পদত্যাগের মাধ্যমে। জল্পনায় সিলমোহর দিয়ে, শুক্রেই কলকাতার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি পুরসভার চেয়ারপার্সনের হাতে তুলে দেন ইস্তফা পত্র। সোমবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে যান ফিরহাদ হাকিম। দীর্ঘ সময় কথাও বলেন। তা নিয়েই নয়া জল্পনা রাজনীতির আঙিনায়।