আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রশ্নফাঁসরোধী বিল নিয়ে আলোচনা আর সেখানেই রাহুল গান্ধীর মন্তব্য নিয়ে হইচই তুমুল। সেখানে রাহুল গান্ধীর মন্তব্য, তাঁর শব্দচয়ন নিয়েই বিরাট প্রশ্ন তুলে দিল গেরুয়া শিবির। বিজেপির দাবি, ক্ষমা চাইতে হবে রাহুল গান্ধীকে। এই পরিস্থিতিতে, রাহুলের মন্তব্য, শব্দচয়ন নিয়ে কী বলছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য? বলেন, 'আজকে লোকসভার বিতর্কে যে শব্দ, যে ভাষা ব্যবহার করলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, এটা প্রত্যাশিত নয় কোনও সুস্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়। এধরনের, কুরুচিকর, অসংসদীয় মন্তব্য থেকে তিনি নিজেকে বিরত রাখলেই পারতেন। 

সংসদে বক্তৃতা রাখার সময় রাহুল গান্ধী ইডিয়টস এবং অন্ধভক্ত শবদুটি ব্যবহার করেন। তিনি মূলত তিন শ্রেণির মানুষের কথা বোঝাতে এই শব্দদুটি ব্যবহার করেছেন। এক পড়ুয়ার সঙ্গে কথোপকথন বোঝাতে গিয়েই রাহুল এই দুটি শব্দ ব্যবহার করেন। রাহুলের বক্তব্যের মাঝেই কিরেণ রিজিজু আপত্তি তোলেন। তাঁর বক্তব্য থেকে অসংসদীয় শব্দদুটি মুছে ফেলার দাবি জানান রাজনাথ সিংও। আরএসএস-এর উদ্দেশেও সুর চড়ান রাহুল। 


বুধবার সংসদে পাশ হয়েছে, পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪ সংশোধনী বিল। তারপরেই শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'বুঝতে হবে নরেন্দ্র মোদির গ্যারান্টির অর্থ, গ্যারান্টি পূরণ করার অর্থ।'

একইসঙ্গে প্রশ্ন-ফাঁস নিয়ে প্রবল আন্দোলন প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, 'যাঁরা ছাত্রদের বিভ্রান্ত করতে চাইছিলেন, যাঁরা আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে নিজেদের অপ্রাসঙ্গিকতা কাটিয়ে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের কাছেও একটা বার্তা গেল। যুবসমাজও বুঝতে পারবে, ছাত্ররাও বুঝতে পারবে, কারা তাদের বিপথে চালিত করতে চাইছিলেন। কারা ঘোলা জলে মাছ ধরতে চাইছিলেন।'