আজকাল ওয়েবডেস্ক: উৎপাদন থেকে শুরু করে অর্থনীতি, মহাকাশ গবেষণা—দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রগতির ক্ষেত্রে দেশের যুবসমাজই ভরসা। তাঁরাই মূল চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার কর্ণাটকের মহীশূরের 'স্বামী বিবেকানন্দ কালচারাল ইয়ুথ সেন্টার' বা 'বিবেকানন্দ মেমোরিয়াল'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনই বললেন তিনি। একইসঙ্গে শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করতেও বিভিন্ন সরকারি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি। জানান, দেশের সুপ্ত সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। এমনটাই খবর সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।
প্রধানমন্ত্রী এদিনের অনুষ্ঠানে বলেন, "আজ এই স্বামী বিবেকানন্দ কালচারাল ইয়ুথ সেন্টার উদ্বোধনের মাধ্যমে আমরা তাদের মিশনকে এক নতুন মাত্রা দিচ্ছি।" দেশের যুবসমাজকে সঠিক সুযোগ, দিকনির্দেশনা ও স্বপ্ন দেখার আত্মবিশ্বাস জুগিয়ে তাদের ক্ষমতায়নের উপরও বিশেষ জোর দেন তিনি।
নরেন্দ্র মোদির মতে, 'আত্মনির্ভর ভারত' এবং 'মেক ইন ইন্ডিয়া'র মতো উদ্যোগগুলির সাফল্যের পিছনে দেশের যুব সম্প্রদায়ের অবদান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে অগ্রসর হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। এই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি দেশের তরুণ-তরুণীদের মেধা ও প্রতিভা। এছাড়া তরুণদের হাত ধরেই আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক দেশেও পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি, যুবসমাজ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি কোম্পানির তৈরি রকেটের মহাকাশ সফল উৎক্ষেপণের কথা উল্লেখ করে প্রশংসায় মুখরিত হন প্রধানমন্ত্রী।
এ দিন শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকীকরণে সরকারের ভূমিকার কথাও তুলে ধরে মোদি। জানান, শিশুদের মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি ও বৈজ্ঞানিক মানসিকতা গড়ে তুলতে দেশজুড়ে ১৪ হাজারেরও বেশি 'পিএম শ্রী' স্কুল এবং ১০ হাজারেরও বেশি 'অটল টিংকারিং ল্যাব' গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি দেশে মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বাড়িয়ে ৮২৩টি করা হয়েছে। এছাড়া গ্রামীণ অঞ্চল থেকে নতুন প্রতিভা অন্বেষণ এবং 'খেলো ইন্ডিয়া' কেন্দ্রের মাধ্যমে আধুনিক ক্রীড়াপরিকাঠামো গড়ে তোলার কথাও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
















