আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানের বাসিন্দা। ভিন্ন সময়ে একে একে বিয়ে করে এসেছিলেন ভারতে। খাতায় কলমে তাঁরা এখনও পাক-নাগরিক। অথচ বছরের পর বছর রয়েছেন ভারতে। সংসার পেতেছেন। জন্ম দিয়েছেন সন্তানের। সন্তানদের রয়েছে জন্মগতভাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব। দিনে দিনে ছড়িয়ে গিয়েছে পরিবার। প্রশ্ন,এখনও কি গোপন পাক-যোগ রয়েছে তাঁদের? পহেলগাঁও হামলার পর, পাক-ভারত সম্পর্কের ক্রমঅবনতির মাঝে আলোচনা ২২ মহিলাকে নিয়ে।
সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, মোরদাবাদে খোঁজ মিলেছে ২২ মহিলার। বছরের পর বছর ধরে দীর্ঘমেয়াদি ভিসায় তাঁরা বসবাস করছেন এ দেশে, আর নাগরিক পাকিস্তানের। আবার রয়েছে ভারতের রেশন কার্ড, আধার কার্ড। ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদনও করেছেন। ওই সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, তাঁরা প্রত্যেকের ভারতীয়দের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবব্ধ হয়ে এই দেশে এসেছেন। কেউ এসেছেন প্রায় দু’ দশক আগে। কেউ এসেছেন চার-পাঁচ বছর আগে।
সূত্রের খবর, ওই ২২ পাক-মহিলা গত কয়েকবছরে এ দেশে জন্ম দিয়েছেন ৯৫ সন্তানের। কারও সন্তান এখন পূর্ণবয়স্ক। কেউ কেউ বিয়ে করে সংসার পেতেছেন। তাঁদের সন্তান-সন্ততী জন্ম নিয়েছে এদেশে। তথ্য, ২২ পাক-মহিলা সংসার বিস্তার করেছেন যে হারে, এখন সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০০।
সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, পুলিশ তাঁদের বিস্তারিত তথ্যের খোঁজ চালাচ্ছে। খতিয়ে দেখা হবে, তাঁদের বিদেশ যোগের বিষয়টি। মোরদাবাদ পুলিশ জনিয়েছে, এলাকার সমস্ত পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে তাদের ভিসা আবেদনের বিষয়, রেশন কার্ডের ব্যবহার, পরিবারের বিস্তার এবং বিদেশে যোগাযোগের বিষয়টি।
২২ মহিলার পরবর্তী প্রজন্ম কী কাজ করছেন, এখনও পাকিস্তানের আত্মীয়দের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে কি না নজরে রয়েছে তাও। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ওই ২২ মহিলা কিংবা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও নির্বাসন আদেশ জারি করা হয়নি। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কারণে তাদের আইনি এবং ভিসার অবস্থা পর্যালোচনাধীন রয়েছে।
