আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাবার যৌন লালসার শিকার মেয়ে। শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রী যাওয়ার পরেই মেয়েকে যৌন নির্যাতন করতে শুরু করেন বাবা। ফাঁকা বাড়িতে দিনের পর দিন চলত এই যৌন অত্যাচার। শেষমেশ অভিযুক্ত যুবকের কীর্তি ফাঁস হল। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লিতে। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট্রাল দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকা থেকে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৪ বছর বয়সি কিশোরী মেয়েকে লাগাতার ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

দু'সপ্তাহ আগেই বিহারে বাপের বাড়িতে যান নির্যাতিতা কিশোরীর মা। গত ১৫ দিনে ফাঁকা বাড়িতে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচবার কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তার বাবা। পয়লা ফেব্রুয়ারিতেও ফাঁকা বাড়িতে বাবার যৌন লালসার শিকার হয় সে। শেষমেশ বাড়িওয়ালার সঙ্গে থানায় পৌঁছে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় কিশোরী। 

পুলিশকে নির্যাতিতা জানিয়েছে, ধর্ষণে বাধা দিতেই আরও শারীরিক নির্যাতন করতেন বাবা। গত ১৫ দিনে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন তাঁকে। মুখে কুলুপ এঁটে থাকার জন্য হুমকিও দিতেন। মা বাড়িতে ফিরে আসার আগেই থানায় অভিযোগ জানিয়েছে সে। 

এই অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরীর মেডিক্যাল টেস্ট করা হয়। অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় এবং পকসো ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশি জেরায় তিনি স্বীকার করেছেন, নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করে হুমকি দিয়েছেন তিনি। 

গত বছর এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল যোগীরাজ্যে। বাড়িতে ছিলেন না কেউ। নির্জনতার সুযোগে নিজের মেয়েকেই ধর্ষণের চেষ্টা করেন বাবার। যৌন নির্যাতনের পর মেয়েকে প্রাণে মারার হুমকিও দেন তিনি। হাড়হিম এই ঘটনার বর্ণনা শুনে শিউরে ওঠে খোদ পুলিশও। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছিল উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জে। পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছিল। ১১ বছর বয়সি নির্যাতিতার মা জানিয়েছিলেন, সেদিন তিনি বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাবার কাছে মেয়ে রয়েছে, এটা জেনে নিশ্চিন্তেই ছিলেন। বাপের বাড়ি থেকে ফিরে জানতে পারেন, ফাঁকা বাড়িতে মেয়েকে ধর্ষণ করেন বাবা। বাড়ি ফিরেই তিনি বিষয়টি মেয়ের থেকে জানতে পারেন। এরপরই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

নাবালিকার মা আরও জানিয়েছিলেন, মেয়েকে ধর্ষণের পর তাকে খুনের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। ধর্ষণের বিষয়টি বাইরে ফাঁস করলে খুনের হুমকিও দিয়েছিল। নির্যাতিতা তার মাকে জানিয়েছে, বিষ খাইয়ে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছিল বাবা। নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে নাবালিকাকে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায় তারা। ঘটনার তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।