আজকাল ওয়েবডেস্ক: মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবি। ছিন্নভিন্ন ঘাসফুল শিবির। দলের নেতা নেত্রীরা, দিনে দিনে বিদ্রোহ ঘোষণা করে দল ছাড়ছেন। প্রতিদিন বাড়ছে বিদ্রোহীদের তালিকা। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে দফায় দফায় বৈঠকে বসছেন মমতা-সনিয়া, রাহুল-অভিষেক। 

 

দফায় দফায় বৈঠক দিল্লিতে। সময় যত এগোচ্ছে, বাড়ছে জল্পনা। বুধবার আচমকা জল্পনা ছড়ায়, দিল্লিতে তৈরি হচ্ছে নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ। মমতা-অভিষেক হাত ধরছেন হাতের? এ বিষয়ে, এখনও নিশ্চিত তথ্য না মিললেও, জল্পনা তুঙ্গে। কিন্তু যদি মমতা ফেরেন কংগ্রেসেই, কোন অঙ্কে তিনি ফিরছেন? 

 

রাজনীতিবিদদের মতে, এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা ডামাডোল। নেতা-নেত্রীরা অনায়াসে তাঁর হাত ছাড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেত্রীর আশঙ্কা, রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হতে পারেন, অভিষেক। সেক্ষেত্রে, কংগ্রেসের হাত ধরলে, কংগ্রেস পাশে দাঁড়ালে কঠিন পরিস্থিতি খানিকটা সহজ হবে তৃণমূলের জন্য। অন্যদিকে মমতা ব্যানার্জিও রাজনৈতিকভাবে বেশ ব্যাকফুটে গত এক মাসেই। পুরনো দল, পুরনো সহকর্মীরা যদি আবার 'মমতা'র পাশে দাঁড়ান, তাহলে কোথাও গিয়ে স্লোগান-লড়াইয়ে অক্সিজেন ফিরে পাবেন তিনি। 

 

সোনিয়া-মমতা সাক্ষৎ মঙ্গলে। বুধেই বৈঠকে পরবর্তী প্রজন্ম। দিল্লিতে একদিকে যখন তাঁর হাত ধরে তৃণমূলে আসা সাংসদ ইস্তফা দিচ্ছেন, তখনই দিল্লিতে বৈঠকে বসলেন রাহুল গান্ধী-অভিষেক ব্যানার্জি। দিল্লিতে কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস নেতা, প্রায় ঘণ্টাদেড় বৈঠক করেন। বাংলার ভোট, ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু'জনের, সূত্রের খবর তেমনটাই। 

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে হাজির হতে, দিল্লি গিয়েছেন মমতা-অভিষেক। ৮ তারিখ বৈঠকে বসেছেন তাঁরা। তারপরেও চলছে দফায় দফায় সাক্ষাত-বৈঠক। মঙ্গলে যখন, মমতার বাড়ি লাগোয়া তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে সিআইডি ঢুকে পড়ে, ঠিক সেই সময়ে, দিল্লিতে মুখোমুখি মমতা-সনিয়া। 

 

তারপরের দিনেই, মুখোমুখি অভিষেক-রাহুল। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে, একদিকে যেমন দলের ভাঙনে একেবারে বিপর্যস্ত তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে পরপর সিআইডি তলবের মুখে পড়েছেন খোদ অভিষেক। যদিও এখনও পর্যন্ত তিনিবার তলব এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই কলকাতায় ফিরছেন মমতা। যদিও কংগ্রেস প্রসঙ্গে এখনও কোনও বার্তা তিনি দেননি।