আজকাল ওয়েবডেস্ক: ডিএনএ কার এই নিয়ে ধুন্ধুমার কর্নাটকে। বিজেপি আর কংগ্রেসের মধ্যে বেঁধেছে বাগযুদ্ধ। শেষমেষ, বিজেপি বিধায়ক হরিশ পুঞ্জা কংগ্রেস নেতা বিকে হরিপ্রসাদকে পাতি পলিটিশিয়ান বলে তোপ দেগেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত, বিকে হরিপ্রসাদ মন্তব্য করেন, হিন্দু আর মুসলিমদের শরীরে একই ডিএনএ রয়েছে। এরপরই পুঞ্জা তাঁকে আক্রমণ করে বলেন, এটা অত্যন্ত ঘৃণ্য বক্তব্য। হিন্দুদের শরীরে শুধুমাত্র ভগবান রাম এবং শ্রীকৃষ্ণের ডিএনএ রয়েছে। এই বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে কংগ্রেস নেতাকে।
তাঁর হুঙ্কার, সকলের আগে হরিপ্রসাদের ডিএনএ টেস্ট করতে হবে। তাহলে বোঝা যাবে তাঁর ডিএনএ তে কী আছে। তাঁর এই মন্তব্য সন্ন্যাসীদের আঘাত করবে। সত্যিকারের হিন্দু ডিএনএ থাকলে এই মন্তব্য করতে পারতেন না কংগ্রেস নেতা এমনই দাবি তুললেন বিজেপি বিধায়ক।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও দলগুলো আধ্যাত্মিক নেতাদের সম্মান করে। সেই আস্থা নষ্ট করেছেন হরিপ্রসাদ। মুসলিম বা খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতাদের সম্পর্কে এমন বক্তব্য দেওয়ার সাহস কীভাবে তাঁর হয়? হিন্দু সম্প্রদায় এই মন্তব্যের যথাযথ জবাব দেবে।
ইতিমধ্যে কর্নাটকে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের লোকেরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হয় এবং স্লোগান দিতে থাকে হরিপ্রসাদকে এই বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ব্রাহ্মণ যুব সমিতির সভাপতি নারায়ণ দেশাই এর হুংকার, কারও অবমাননাকর মন্তব্য সহ্য করব না। সঠিক সময়ে এর জবাব দেওয়া হবে।
সেখানকার কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা পাশে দাঁড়িয়েছেন হরিপ্রসাদের। তাদের বক্তব্য, ভারত সম্প্রীতির দেশ। কেউ সেই সম্প্রীতি ভাঙতে চাইলে কিংবা সম্প্রীতি নষ্টের জন্য সাধারণ মানুষকে উসকে দিলে তার ফল ভাল হবে না।
বেলথাঙ্গাডির বিধায়ক হরিশ পুঞ্জা জানিয়েছেন, মল্লেশ্বরমের সবাই জানে আসল ক্ষুদ্র রাজনীতিবিদ আসলেকে। হরিপ্রসাদ রাজনৈতিক লাভের জন্য গান্ধী পরিবারের সঙ্গে তাঁর সংযোগ স্থাপন করেছেন বলেও দাবি জানান তিনি। একইসঙ্গে বক্তব্য এইসব করে জনগণের সমর্থন নিয়ে ভোটে জয়ী হওয়ার যোগ্যতা তাঁর নেই।
















