আজকাল ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন পুলিশ কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। বিক্ষোভকারীরা হিংসাত্মক হামলা চালিয়েছিলেন, এবার এই অভিযোগ করলেন আহত পুলিশকর্মীদের পরিবারের সদস্যরা। শুক্রবার সকালে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জানান, শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে গিয়ে বহু পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। তবে জনসমক্ষে পড়ুয়ারাই শুধু আহত, কেবলমাত্র এই একপাক্ষিক অভিযোগই প্রচার করা হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ।
সাংবাদিক বৈঠকে এ দিন আহত পুলিশকর্মীদের পরিবারের সদস্যরা বেশ কয়েকটি ভিডিও প্রদর্শন করেন। তাঁদের দাবি, ২০ জুলাই সাধারণ পড়ুয়াদের আন্দোলনের ভিড়ে বেশ কিছু সমাজবিরোধীও ঢুকে পড়ে। মিছিলে ঢুকে তাঁরা শুধু পুলিশকে টার্গেট করেন। এই প্রেক্ষিতে পুলিশের এক সাব-ইনস্পেক্টরের মেয়ে জানান, তাঁর বাবাকে জনতা টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়। তাঁকে প্রায় পিটিয়ে মারার উপক্রম করেছিল আক্রমণকারীরা। যন্তর মন্তরে ওই হামলায় তিনি প্রায় চার ঘণ্টা সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ছিলেন। পরে রক্তাক্ত পোশাকে ওই পুলিশকে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়।
ওই দিনে ঘটনা নিয়ে এ দিন মুখ খোলেন এক পুলিশ এএসআই-এর স্ত্রীও। জানান, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ইট, পাথর ও জুতো নিয়ে চড়াও হয় তাঁর স্বামীর উপর। ক্রমাগত হামলায় তাঁর মাথার হেলমেট পর্যন্ত ভেঙে যায় বলে জানান স্ত্রী। অন্য এক পুলিশকর্মীর ছেলেও সমাজমাধ্যমে পুলিশকে নিয়ে নেতিবাচক প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। সেই পরিবারের দাবি, পুলিশকর্মীদেরও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
অন্যদিকে, সামগ্রিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বাধীন ওই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না। তবে যাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিল্লি সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, ইতিমধ্যে আটক বা গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্ত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
















