আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিয়ের দেড় বছর কাটতে না কাটতেই ভয়ঙ্কর পরিণতি বধূর। ঘরে ন'মাসের সন্তান। আত্মঘাতী হলেন আন্তর্জাতিক কবাডি খেলোয়াড়ের স্ত্রী। ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে তাঁর দেহ। যে ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা রাজ্যেই।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার রোহতাকে। আন্তর্জাতিক কবাডি খেলোয়াড় শীলু বলহারার স্ত্রী আত্মঘাতী হয়েছেন। ২৩ বছরের বধূর নিথর দেহ তাঁর ঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত বধূর নাম, মুসকান। তিনি রোহতাকের মেহাম এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ২০২৩ সালে শিলুর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। গত বছর নভেম্বরে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন মুসকান।
আত্মহত্যার খবর পেয়েই পুলিশ বাহিনী ও ফরেন্সিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। আত্মহত্যার নেপথ্যে কী কারণ, তা এখনও জানা যায়নি। জানা গিয়েছে, চরম পদক্ষেপ করার কয়েক ঘণ্টা আগেও সোশ্যাল মিডিয়ায় পাঞ্জাবি গানের সঙ্গে একটি রিল পোস্ট করেছিলেন তিনি।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, মুসকানের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। কিন্তু এই মৃত্যু ঘিরেও রহস্য ঘনাচ্ছে। মুসকানের পরিবারের তরফে শীলুর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের জেরেই মুসকান চরম পদক্ষেপ করেছেন বলেই অভিযোগ পরিবারের।
প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহে দেরাদুনেও আরেকটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। বিয়ের পর আট মাস কাটল না। শ্বশুরবাড়িতেই ভয়ঙ্কর পরিণতি সরকারি স্কুলের শিক্ষিকার। দিনের পর দিন স্বামী, শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের কটুক্তি, শারীরিক ও মানসিক হেনস্থার পরেই শিক্ষিকার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে শ্বশুরবাড়ি থেকে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দেরাদুনের সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা সৃষ্টি মৃত্যুর ঘটনায় শনিবার তাঁর স্বামী সৌরভ ও ননদ চারুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সৃষ্টির পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই অতিরিক্ত পণের দাবিতে মানসিক ও শারীরিকভাবে তাঁকে চরম নির্যাতন করা হত।
পুলিশ জানিয়েছে, আট মাস আগেই সৃষ্টি ও সৌরভের বিয়ে হয়। ৩০ বছর বয়সি সৃষ্টি শ্রীনগর গাড়োয়ালের এক সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। গত ২৯ জুলাই দেরাদুনের দইওয়ালা এলাকা থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি থেকেই মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
















