ইরান-মার্কিন সংঘাতের জেরে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও ভারতে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম আপাতত স্থিতিশীল থাকবে, সরকারি সূত্র এনডিটিভি-কে এমনই জানিয়েছে। যেকোনও সংকট পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা শৃঙ্খল কর্মসূচি সক্রিয় করেছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
2
6
চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ভারতে তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। এরপর কী হবে? সরকারি কর্তার কথায়, "মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরতা কমাতে ভারত হরমুজ-বহির্ভূত অঞ্চল থেকে তেল সরবরাহ আগের ৬০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে এখন ৭০ শতাংশ করেছে। আগে, প্রায় ৪০ শতাংশ সরবরাহ মধ্য এশিয়া থেকে আসত, তবে, বিকল্প প্রচেষ্টা চলছে... মধ্য এশিয়ায় সমস্যাদেখা দেওয়ায়, ভারত বিকল্প দেশগুলি থেকে তেল এবং গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে।"
এই বিষয়ে অবগত সরকারি সূত্র আরও জানিয়েছে, "সরকার কালোবাজারি বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর। জ্বালানি ও এলপিজির কালোবাজারি রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জ্বালানি ও এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে দেশীয় গ্রাহকরাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।"
5
6
ভারতের জন্য হরমুজ প্রণালী গুরুত্বপূর্ণ: ভারত তার মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি করে এবং এই আমদানির প্রায় ৮০-৯০ শতাংশএধ্য এশিয়ার সরবরাহকারীদের কাছ থেকে আসে। যেহেতু বেশিরভাগ উপসাগরীয় এলপিজি হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে, যা বর্তমানে প্রায় অবরুদ্ধ, তাই ভারতের প্রধান শহরগুলিতে দেশীয় এবং বাণিজ্যিক এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে।
6
6
এদিকে, তেল বিপণন সংস্থাগুলি লোকসান বহন করার কারণে পাম্পে খুচরা জ্বালানির দাম আপাতত অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, ভারত গত মাসে তার ভোক্তা মূল্য সূচক (খুচরা মুদ্রাস্ফীতি) সংশোধন করেছে, জ্বালানি আলো এবং গ্যাসকে গৃহস্থালীর সঙ্গে একত্রিত করে সম্মিলিত ওজন ১৭.৭ শতাংশ করেছে যা আগের ১৬.৯ শতাংশ ছিল।