বর্তমান যুগে সব কিছুই ডিজিটালাইজ করার অপশন রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নথি যাতে হারিয়ে না যায় সে কারণে অনেকেই সফট কপি, দরকার পড়লে ছবি তুলে ফোনে সেভ করে রাখছেন।
2
10
বিভিন্ন পরিচয়পত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিরও ডিজিটাল ভার্সন এসে গেছে। ম্যানুয়াল কপি না থাকলেও আধার কার্ড, রেশন কার্ডের মতো নথির ডিজিটাল ভার্সন বা সফট কপি ফোনে রাখা যায়।
3
10
সেরকমই জন্ম শংসাপত্র অর্থাৎ বার্থ সার্টিফিকেটও ডিজিটালাইজ করা যায়। এটা করা যায় সম্পূর্ণ বিনামূল্য এবং ঘরে বসেই। ফলে, পুরনো হাতে লেখা শংসাপত্র হারিয়ে যাওয়ার থেকে এটা অনেক নিরাপদ।
4
10
তবে ঘরে বসে নিজে থেকে করতে যদি অসুবিধার মুখে পড়তে হয় সে কারণে বিকল্প ব্যবস্থাও রয়েছে। শুধুমাত্র কয়েকটি নথি হলেই ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন আপনি।
5
10
ছেলেমেয়েদের স্কুলে ভর্তি করা সহ নানা কাজেই ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট দরকার লাগে। ফলে, এই জরুরি কাজে এবার এগিয়ে এসেছে পুরসভা। স্থানীয় প্রশাসনের দপ্তরে গেলেই ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট পেয়ে যাবেন আপনি।
6
10
এবার প্রশ্ন হচ্ছে, কী কী নথি লাগবে? এই কয়েকটা নথি না নিয়ে বারবার আপনাকে পুরসভায় ঘুরপাক খেতে হবে। বেকার খাটনির আগে এই প্রতিবেদন পড়ে নিয়ে সমস্ত নথি গুছিয়ে নিয়ে যান।
7
10
পুরসভা সূত্রে খবর, ম্যানুয়াল বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করতে সাদা কাগজে নিজের মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে। তার সঙ্গে একাধিক নথি জমা দিতে হবে।
8
10
জমা দিতে হবে আপনার ম্যানুয়াল বার্থ সার্টিফিকেটের জেরক্স, মা ও বাবার আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স। এগুলি জমা দিলেই আপনার কাজ শেষ।
9
10
তবে আপনার পুরসভায় এই কাজ হচ্ছে কিনা সেটা খোঁজ নিয়ে যাওয়াই ভাল। ইতিমধ্যেই, কৃষ্ণনগর পুরসভায় এই কাজ শুরু হয়েছে পুরোদমে। সঠিক নথি হাতে পেলেই কর্মীরা ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট বানিয়ে দিচ্ছেন।
10
10
বেশ কয়েক মাস ধরে কৃষ্ণনগর পুরসভায় ম্যানুয়াল বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করার কাজ বন্ধ ছিল। ফের সেই কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন বহু মানুষ।