বারবার ট্রাফিক আইন ভাঙা, জরিমানা দেওয়া। এই বিষয়টা অনেকের কাছেই নিছক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে এই অবস্থা আর বেশিদিন নেই। কারণ এবার জরিমানার সঙ্গেই বাতিল হতে পারে ড্রাইভিং লাইসেন্সও।
2
8
২০২৬ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে নয়া আইন লাগু হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যারা বারবার ট্রাফিক আইন ভাঙবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
3
8
কেন্দ্রীয় মোটর ভেহিকল অ্যাক্ট-এর নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১লা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে যদি কোনও চালকের বিরুদ্ধে এক বছরের মধ্যে পাঁচ বা তার বেশি ট্রাফিক চালান কাটা হয়, তাহলে সেটিকে গুরুতর আইনভঙ্গ হিসেবে ধরা হবে।
4
8
এমন ক্ষেত্রে পরিবহন দপ্তর সংশ্লিষ্ট চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে। তবে লাইসেন্স বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আঞ্চলিক পরিবহন দপ্তর (আরটিও)। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চালককে নিজের বক্তব্য বা ব্যাখ্যা দেওয়ারও সুযোগও দেওয়া হবে।
5
8
এতদিন অনেক চালক বিভিন্ন শহরে ট্রাফিক আইন ভেঙে চালান কেটেও সহজেই পার পেয়ে যেতেন। কিন্তু এখন আর সেই সুযোগ নেই। ড্রাইভিং লাইসেন্স আধার কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায়, দেশের যেকোনও প্রান্তে ট্রাফিক আইন ভাঙলে তার রেকর্ড সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট চালকের প্রোফাইলে যুক্ত হয়ে যায়।
6
8
এছাড়া ই-চালান ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণভাবে ‘বাহন’ এবং ‘সারথি’- এই দুই পোর্টালের সঙ্গে সংযুক্ত। ফলে একজন চালকের সমস্ত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের তথ্য এক জায়গায় সংরক্ষিত থাকে।
7
8
এআই-ভিত্তিক স্মার্ট ক্যামেরা সারাক্ষণ রাস্তার উপর নজর রাখছে। কোনও হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হচ্ছে ই-চালান। ফলে 'কেউ দেখছে না'- এই ধারণা আর কাজ করবে না।
8
8
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের প্রায় ৭০ শতাংশের জন্য দায়ী মাত্র ২০ শতাংশ চালক, যারা বারবার একই ভুল করেন এবং শুধু জরিমানা দিয়েই দায় এড়িয়ে যান। সরকারের মতে, লাইসেন্স বাতিল হওয়ার ভয় না থাকলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে না। তাই এই নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে।