২০২৫ সালের শেষ দিনে সোনা ও রুপোর দামে বড়সড় পতন দেখা গেছে। সারা বছর জুড়ে শক্তিশালী ঊর্ধ্বগতি বা বুল রান-এর পর এই পতন অনেক বিনিয়োগকারীর নজর কেড়েছে।
2
10
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দরপতন মূলত মুনাফা তুলে নেওয়া, প্রযুক্তিগত সংশোধন এবং বিশ্বের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আশার ফল। এখান থেকে সোনার দাম নতুন দিকে মোড় নিতেই পারে।
3
10
মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অফ ইন্ডিয়া মার্চ ডেলিভারির সিলভার ফিউচার প্রায় ৬ শতাংশ পড়ে কেজি প্রতি ২,৩৬,৩৭৫ টাকায় নেমে আসে। মে ডেলিভারির সিলভার ফিউচারেও ৫ শতাংশের বেশি পতন হয়ে দাম দাঁড়ায় কেজি প্রতি ২,৪১,৮৩২ টাকা।
4
10
দিনের শুরুতে যে চুক্তিগুলি প্রায় ৮ শতাংশ পর্যন্ত পড়ে গিয়েছিল পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়। সোনার দামও সাম্প্রতিক উচ্চতা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে খানিকটা নেমে এসেছে।
5
10
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সোনা ও রুপোর দামের এই পতন মূলত প্রফিট বুকিং এবং টেকনিক্যাল কারেকশনের ফল। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেন্ড এখনও বুলিশ থাকলেও বাজারে অস্থিরতা রয়েছে এবং আরও সংশোধনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
6
10
তাদের মতে, দীর্ঘ সময়ের জন্য বিনিয়োগ করতে চাইলে ইটিএফ এবং মিউচুয়াল ফান্ডে এসআইপি-তে বিনিয়োগ করা সবথেকে যুক্তিযুক্ত।
7
10
রেকর্ড বুল রান-এর পর এই পতনকে দীর্ঘমেয়াদি থিসিস ভেঙে পড়া না বলে বরং একটি ‘পজিশনিং রিসেট’ হিসেবে দেখা উচিত। বিশেষ করে ২০২৫ সালে রুপো একটি মোমেন্টাম ট্রেডে পরিণত হয়েছিল।
8
10
ফলে বাজারের মনোভাব বদলাতেই সেখানে জোরালো প্রফিট বুকিং এবং লিভারেজড পজিশন সকলের সামনে স্পষ্ট হয়েছে। সোনার ক্ষেত্রেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে বড় লাভের পর সংশোধনও অনেক বেশি তীব্র বলে মনে হচ্ছে।
9
10
২০২৬ সালে কী করা উচিত, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পরিষ্কার। বিনিয়োগকারীদের তলানির দাম খোঁজার চেষ্টা না করে আচরণগত সঙ্কেত কোন দিকে যাচ্ছে সেদিকে নজর দেওয়া উচিত।
10
10
ধীরে ধীরে ইটিএফ বিনিয়োগ করা মোটেই সহজের হবে না। সব মিলিয়ে ২০২৫-এর শেষের পতন আতঙ্কের নয় বরং ২০২৬-এর জন্য পরিকল্পিত ও ধৈর্যশীল বিনিয়োগের সুযোগ হিসেবেই দেখছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।