পেটের দায়ে পাটের ব্যাগ বানিয়ে এখন দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে ব্যবসা, মহিলাদের স্বর্নিভর করতে প্রশিক্ষণও দেন দাদিমা
2
11
লুধিয়ানার গ্রামবাসী এই দাদিমা এখন নারী উদ্যোক্তাদের আদর্শ। অভাবের সংসারে পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি।
3
11
অষ্টম শ্রেণির পর স্কুল যাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু স্বনির্ভর হওয়ার পথে থেমে থাকেননি চরণজিৎ কৌর।
4
11
পঞ্জাবের সমরালার কাছে ভগবানপুরা গ্রামের এই ৫৪ বছর বয়সী দাদিমা পাটের তৈরি হাত ব্যাগ বানিয়েই তৈরি করেছেন ব্যবসা।
5
11
সামান্য ব্যবসা নয়, দাদিমার এই পাটের ব্যাগ টাটা ও জন্টি অ্যাগ্রোর মতো নামী সংস্থা এবং প্রবাসী ভারতীয়রা নিয়মিত তাঁর কাছে বরাত দেন।
6
11
চরণজিৎ জানান, বাড়িতে আর্থিক সংকটে পরিবারের পাশে দাঁড়াতেই তাঁর এই ব্যবসার শুরু৷ তিনি পাটের ব্যাগ তৈরির প্রশিক্ষণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
7
11
প্রথমে তেমন সহায়তা না মিললেও সমরালায় কেভিকে কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নিয়ে ছোট ছোট বরাত পেতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে ব্যবসা বড় হয়।
8
11
এখন তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন অনেক মহিলা৷
মাসে গড়ে ৫০,০০০ টাকা আয় হয় তাঁর। একটি পাটের ব্যাগের দাম আকার ও নকশা অনুযায়ী ৪৫ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে দাম হয়।
9
11
প্রবাসীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি স্টোরেজ ব্যাগ এক হাজার টাকা পর্যন্তও দাম হয়৷ ব্যবসা চালানোর পাশাপাশি চরণজিৎ আশপাশের গ্রামের নারী ও মেয়েদের পাটের ব্যাগ তৈরির প্রশিক্ষণও দেন।
10
11
গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাকে তিনি নিয়মিত এই কাজ করেন। তিনি বলেন, “আর্থিক স্বনির্ভরতাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। শুধু আমি নই, আমার পরিবারও এই ব্যবসায় যুক্ত।”
11
11
একটি সাধারণ গ্রামীণ গৃহিণী থেকে সফল উদ্যোক্তায় পরিণত হওয়ার এই যাত্রা আজ অনেক নারীর অনুপ্রেরণা। চরণজিৎ কৌর প্রমাণ করেছেন — শিক্ষার শংসাপত্র না থাকলেও স্বপ্ন ও পরিশ্রম দিয়ে জীবন বদলানো সম্ভব।