বুধের রাশি পরিবর্তনে ভাগ্য বদল! বিষ্ণু পূজা করলে দূর হবে বাধা, সুফল পেতে কী করবেন?
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৫ জুলাই ২০২৬ ০৮ : ৪৬
শেয়ার করুন
1
12
জ্যোতিষশাস্ত্রে বুধ গ্রহকে বুদ্ধি, যোগাযোগ, ব্যবসা, শিক্ষা, বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং আর্থিক বিচক্ষণতার কারক হিসেবে ধরা হয়। তাই বুধের রাশি পরিবর্তনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জ্যোতিষীয় ঘটনা বলে মনে করা হয়।
2
12
জ্যোতিষীদের মতে, বুধ যখন নিজের বন্ধুস্থান বা অনুকূল রাশিতে প্রবেশ করে, তখন তার ইতিবাচক প্রভাব বিভিন্ন রাশির জাতকদের জীবনে পড়তে পারে। এই সময়ে বিশেষ করে ভগবান বিষ্ণুর আরাধনা করলে জীবনের নানা বাধা দূর হওয়ার পাশাপাশি কর্মজীবন, ব্যবসা এবং অর্থভাগ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
3
12
কেন বিশেষ এই সময়?
বুধ গ্রহকে জ্ঞান, যুক্তিবোধ এবং বাকশক্তির অধিপতি বলা হয়। যাঁদের জীবনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ আটকে রয়েছে, চাকরিতে উন্নতি হচ্ছে না, ব্যবসায় লাভের মুখ দেখা যাচ্ছে না বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়ছেন, তাঁদের জন্য এই সময়টি শুভ বলে মনে করা হয়।
4
12
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, বুধের শুভ প্রভাব বাড়াতে ভগবান বিষ্ণুর পূজা অত্যন্ত ফলদায়ক বলে বিবেচিত।
এই সময়ে বৃহস্পতিবার বা বুধবার সকালে স্নান সেরে পরিষ্কার পোশাক পরে ভগবান বিষ্ণুর মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালানো শুভ বলে মনে করা হয়।
5
12
এরপর তুলসী পাতা, হলুদ ফুল, চন্দন এবং ফল নিবেদন করতে পারেন। ভক্তিভরে 'ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়' মন্ত্র ১০৮ বার জপ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ বা শোনা অত্যন্ত শুভ বলে ধরা হয়।
6
12
তুলসী গাছে জল অর্পণ করে সন্ধ্যায় ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানোও শুভ ফল দিতে পারে বলে বিশ্বাস। অনেকেই এদিন দরিদ্র বা প্রয়োজনীয় মানুষকে সবুজ রঙের বস্ত্র, মুগ ডাল বা সবুজ শাকসবজি দান করার পরামর্শ দেন, কারণ সবুজ রং বুধ গ্রহের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
7
12
জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়ে নিষ্ঠার সঙ্গে বিষ্ণুর আরাধনা করলে দীর্ঘদিনের আটকে থাকা কাজে গতি আসতে পারে।
8
12
চাকরি ও ব্যবসায় নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। আর্থিক স্থিতি ধীরে ধীরে উন্নত হতে পারে।
9
12
পড়াশোনা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মনোযোগ বাড়তে পারে। যোগাযোগ দক্ষতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা উন্নত হতে পারে।
10
12
বুধের শুভ প্রভাব বজায় রাখতে অহেতুক তর্ক-বিতর্ক, মিথ্যা কথা বলা এবং কাউকে অপমান করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। আর্থিক লেনদেনে সতর্ক থাকা এবং অযথা খরচ না করাও শুভ বলে মনে করা হয়।
11
12
পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রতিদিন ভগবান বিষ্ণুর নাম স্মরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
12
12
তবে মনে রাখা জরুরি, এগুলি জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত মত। এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। যাঁরা এই বিশ্বাসে আস্থা রাখেন, তাঁদের কাছে এই আচার-অনুষ্ঠান মানসিক শক্তি, ইতিবাচকতা এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর একটি উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়।