নি:শব্দে কুড়ে কুড়ে শরীর শেষ করছে কোলেস্টেরল? ত্বক ও পায়ের এই লক্ষণ না বুঝলে অকালেই ঘনিয়ে আসবে মৃত্যু
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৫ জুন ২০২৬ ১৩ : ৩৬
শেয়ার করুন
1
12
শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা অনেক সময় সহজে বোঝা যায় না। তাই উচ্চ কোলেস্টেরলকে ‘সাইলেন্ট কিলার’ বা নীরব ঘাতক বলা হয়।
2
12
দীর্ঘদিন ধরে কোলেস্টেরল বেশি থাকলে হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।তাই কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ বোঝা জরুরি।
3
12
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে ত্বক ও পায়ের কিছু পরিবর্তন শরীরে অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের ইঙ্গিত দিতে পারে।
4
12
ত্বকে হলুদ দাগ বা গুটি: রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) বেশি থাকলে ত্বকের নিচে চর্বি জমে ছোট ছোট হলুদ বা কমলা রঙের গুটি তৈরি হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এগুলিকে জ্যানথোমা বলা হয়। এগুলি সাধারণত কনুই, হাঁটু, হাত, পায়ের পাতা বা শরীরের অন্য অংশে দেখা যেতে পারে। অনেকেই এগুলিকে সাধারণ ত্বকের সমস্যা ভেবে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু এটি কোলেস্টেরল বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।
5
12
চোখের চারপাশে হলুদ দাগ: চোখের পাতার ওপর বা চোখের কোণের কাছে হলুদ রঙের নরম দাগ দেখা গেলে সেটিও সতর্কবার্তা হতে পারে। একে জ্যানথেলাজমা বলা হয়। যদিও এই দাগ থাকা মানেই যে কোলেস্টেরল বেশি, এমন নয়। তবে যাঁদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাঁদের মধ্যে এই সমস্যা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।
6
12
হাঁটার সময় পায়ে ব্যথা: উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে ধমনীর ভিতরে চর্বি জমে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ফলে হাঁটার সময় পায়ের পেশিতে ব্যথা, টান বা ক্র্যাম্প অনুভূত হতে পারে। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলে ব্যথা কমে যায়, আবার হাঁটলে শুরু হয়। এটি পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ-এর লক্ষণও হতে পারে।
7
12
পা সবসময় ঠান্ডা থাকা: অন্যদের তুলনায় যদি আপনার পা সবসময় বেশি ঠান্ডা অনুভূত হয়, তাহলে তা রক্ত সঞ্চালনের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। কোলেস্টেরল জমে ধমনি সরু হয়ে গেলে শরীরের নিচের অংশে পর্যাপ্ত রক্ত পৌঁছাতে পারে না।
8
12
পায়ের ক্ষত সহজে না শুকানো: পায়ে ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া বা ক্ষত হলে যদি তা দীর্ঘদিনেও না শুকোয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। দুর্বল রক্ত সঞ্চালনের কারণে ক্ষত সারতে বেশি সময় লাগতে পারে।
9
12
পায়ের লোম কমে যাওয়া: বিশেষজ্ঞদের মতে, পায়ের রক্ত চলাচল কমে গেলে ধীরে ধীরে লোম পড়ে যেতে পারে। ত্বকও চকচকে বা অস্বাভাবিক মসৃণ দেখাতে পারে। এটিও রক্ত সঞ্চালনের সমস্যার একটি লক্ষণ।
10
12
কী করবেন? এই লক্ষণগুলির কোনওটি দেখা দিলেই যে আপনার কোলেস্টেরল বেশি, এমন নয়। তবে একাধিক লক্ষণ একসঙ্গে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। একটি সাধারণ লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা জানা যায়।
11
12
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেল-চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়া, বেশি করে শাকসবজি ও ফল খাওয়া, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা, ধূমপান এড়ানো এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
12
12
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে সমস্যা শুরুতেই ধরা পড়ে এবং বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়।