পুজোর সময়ে অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবারের কারণে অনেকেরই পেটের গোলমাল দেখা দেয়। কিংবা, গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
2
8
পুজোর চার পাঁচটা দিন অনেকে হয়তো বাইরে খান সারাদিনই। সকালে লুচি, দুপুরে মাটন সহযোগে ভাত, রাতে সুস্বাদু বিরিয়িানি খেয়ে থাকেন অনেকে। আর খাওয়া হজম করতে একটা ওষুধ।
3
8
গ্যাস বা অ্যাসিডিটি এড়াতে মুড়িমুড়কির মতো ওষুধ খেয়ে থাকেন অনেকেই। সকালে খালি পেটে একটা গ্যাসের ওষুধ কিংবা অ্যাসিডিটির ওষুধ অনেকে কিনে খান। অনেকে পুজোর ক’টা দিন খান, অনেকের এটা নিত্যদিনের অভ্যাস।
4
8
কিন্তু প্রায় নিয়মিতভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ধরনের ওষুধ খাওয়াটা আদৌ কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল? মুড়িমুড়কির মতো গ্যাসের ওষুধ, অ্যাসিডিটির ওষুধ শরীরের কতটা ক্ষতি করছে তা জেনে নেওয়া জরুরি।
5
8
চিকিৎসক শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, ‘পুজোর সময়ে সাময়িকভাবে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিলে প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ভাল। কিন্তু তা যেন দীর্ঘমেয়াদি অভ্যাসে পরিণত না হয়।’
6
8
দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের ওষুধ খেলে তাঁর ফল কী হতে পারে? চিকিৎসক জানাচ্ছেন, ‘অনিয়মিত খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে গ্যাসের ওষুধ খাওয়াকে নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করা ঠিক নয়। যদি বারবার অ্যাসিডিটি হয় কিংবা গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।’
7
8
মাইক্রোবায়োলজিস্ট চিকিৎসক শ্রাবণী মুখোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, ‘কোনও উৎসবের সময়ে অ্যাসিডিটি হলেই অনেকে সোজা ওষুধ কিনে খেতে শুরু করেন। এতে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে।’
8
8
একটানা খেতে থাকলে কী হতে পারে? চিকিৎসক জানালেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ওষুধ খেতে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক ইমিউনিটি সিস্টেমে প্রভাব পড়তে পারে।’ ফলে, আগে থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।