ফুটবল ম্যাচ আর গ্যালারিতে বসে বিয়ারের মগ— এই দুইয়ের মেলবন্ধন ফুটবলপ্রেমীদের কাছে চিরপরিচিত। তবে ২০২৬ সালের মেগা বিশ্বকাপ মাতাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যে ১৬টি স্টেডিয়াম সেজে উঠছে, সেখানে বিয়ারের দাম কিন্তু পকেটে বেশ ভালোই টান ফেলতে পারে।
2
6
বিভিন্ন স্টেডিয়ামের আনুমানিক মূল্যতালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, উত্তর আমেরিকার এই তিন দেশের ভেন্যুগুলোর মধ্যে বিয়ারের দামের ক্ষেত্রে এক বিশাল ফারাক রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেডিয়ামগুলোতে বিয়ারের দাম যেখানে আকাশছোঁয়া, মেক্সিকোয় তা তুলনামূলকভাবে অনেকটাই সাশ্রয়ী।
3
6
সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভেন্যুগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়াম এবং সান ফ্রান্সিসকোর লিভাইস স্টেডিয়াম। এই দুই মাঠে খেলা দেখার পাশাপাশি এক পিন্ট বিয়ারের স্বাদ নিতে দর্শকদের প্রায় ১৭ থেকে ১৮ ডলার খরচ করতে হতে পারে।
4
6
এর ঠিক পেছনেই রয়েছে নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়াম এবং মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়াম, যেখানে দাম ঘোরাফেরা করছে ১৫ থেকে ১৬ ডলারের কাছাকাছি। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম সাধারণত সস্তা খাবার ও পানীয়ের জন্য পরিচিত হলেও বিশ্বকাপের আসরে এখানেও বিয়ারের দাম ১০ থেকে ১২ ডলার ছুঁতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
5
6
অন্যদিকে কানাডার ভেন্যুগুলোতে খরচ থাকবে মাঝারি পুঁজিতে। টরন্টোর বিএমও ফিল্ড এবং ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস-এ এক পিন্ট বিয়ারের জন্য দর্শকদের পকেট থেকে খসবে প্রায় ১২ থেকে ১৪ কানাডিয়ান ডলার। তবে বিয়ারপ্রেমী ফুটবল অনুরাগীদের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর নিয়ে আসছে মেক্সিকো।
6
6
মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আসতেকা, গুয়াদালাহারার এস্তাদিও আকরন এবং মনতেরেই-এর এস্তাদিও বিবিভিএ— এই তিনটি স্টেডিয়ামেই মাত্র ৪ থেকে ৬ ডলারের বিনিময়ে এক পিন্ট বিয়ার পাওয়া যাবে, যা আমেরিকার স্টেডিয়ামগুলোর তুলনায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম। বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টে ফিফার অফিশিয়াল স্পনসরশিপ এবং বিশেষ ইভেন্ট প্রাইসিংয়ের কারণেই স্টেডিয়ামের সাধারণ ম্যাচের তুলনায় এই দাম কিছুটা বেশি রাখা হচ্ছে।