আজকালকার অনিয়মিত জীবনযাত্রায় পিসিওডি (PCOD) বা হরমোনের সমস্যা ঘরে ঘরে। আর এই অসুখের হাত ধরেই শরীরে জেঁকে বসে মেদ। ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই ছোটেন নামী দামি ‘সাপ্লিমেন্ট’ বা বিদেশি ওষুধের পিছনে। কিন্তু আদতে সাধারণ জীবনযাপনেই লুকিয়ে আছে রোগমুক্তির চাবিকাঠি।
2
10
একজন ‘ফ্যাট লস কোচ’ সম্প্রতি ভাগ করে নিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলি। কোনও নামি দামি ওষুধ ছাড়াই কেবল ১০টি সহজ ও ঘরোয়া উপায়ে তিনি জয় করেছেন পিসিওডি-কে।
3
10
ওজন কমাতে হলে প্রথমেই রসনা তৃপ্তির লোভ সামলাতে হবে। বাইরের ভাজাভুজি বা প্যাকেটজাত খাবার নয়, শরীর সুস্থ রাখতে মা-ঠাকুমাদের আমলের সাধারণ ঘরোয়া খাবারেই ভরসা রাখুন।
4
10
খিদে সামলাতে ডালে-ভাতে বাঙালির পাতে প্রোটিন থাকা মাস্ট। ডাল, সোয়াবিন, ডিম বা মাছ- প্রতি বেলা খাবারে প্রোটিন থাকলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে।
5
10
জিমে গিয়ে কসরত করার সময় না থাকলেও ক্ষতি নেই। নিয়ম করে দিনে অন্তত কয়েক পা হাঁটুন। দিনের শেষে সাত থেকে দশ হাজার পা হাঁটাই হতে পারে আপনার সুস্থতার ম্যাজিক।
6
10
রাত জেগে মোবাইল ঘাঁটার নেশা পিসিওডি-র প্রধান শত্রু। হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে নিয়ম করে সাত-আট ঘণ্টার টানা ঘুম অত্যন্ত জরুরি। মিষ্টি মানেই বিষ। চা হোক বা কফি, সাদা চিনি বাদ দিন ডায়েট থেকে। মিষ্টির বদলে ফল খান
7
10
শরীর থেকে টক্সিন বের করতে জলের বিকল্প নেই। দিনভর শরীরে জলের জোগান ঠিক থাকলে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয় এবং ওজন দ্রুত কমে।
8
10
পিসিওডি-তে মানসিক উদ্বেগ ওজন বাড়ানোর অন্যতম কারণ। শরীর সুস্থ রাখতে মনকেও বিশ্রাম দিন। গান শোনা হোক বা বাগান করা- মনের যত্ন নিন।
9
10
কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এবং বিপাক হার বাড়াতে খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি আর ফল রাখুন। ফাইবারের প্রাচুর্যই শরীর হালকা রাখবে। গপগপ করে গিলে খাওয়া নয়, প্রতিটি গ্রাস ভালো করে চিবিয়ে খান। এতে যেমন খাবারের স্বাদ পাবেন, তেমনই মস্তিষ্ক দ্রুত বুঝতে পারবে কখন আপনার পেট ভরেছে।
10
10
ওজন কমানো কোনও ম্যাজিক নয়। দু’দিন নিয়ম মেনেই ফল পাওয়ার আশা করবেন না। ধৈর্য ধরে নিয়মগুলো পালন করলে সাফল্য আসবেই।