বারান্দায় গিয়ে ধূমপান করলেও শিশুর হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি, কেন সতর্ক করলেন চিকিৎসকেরা?
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৯ মে ২০২৬ ১২ : ৪৩
শেয়ার করুন
1
11
বহু বাঙালি ঘরেই দৃশ্যটা চেনা, বাবা বা দাদু সিগারেট ধরিয়ে চলে যান বারান্দায় কিংবা জানালার ধারে, যাতে ঘরে থাকা শিশুটির কোনও ক্ষতি না হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই ধারণা ভুল৷
2
11
জানালা বা বারান্দায় গিয়ে ধূমপান করলেও শিশু পরোক্ষাভাবে ধূমপানের ক্ষতির শিকার হয়৷ একটি গবেষণায় ধূমপায়ী অভিভাবকদের সন্তানদের চুলে নিকোটিনের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়।
3
11
দেখা যায়, বাড়ির বাইরে ধূমপান করা সত্ত্বেও প্রতি ১০টি শিশর মধ্যে ৬ জনই তামাকের ধোঁয়ার সংস্পর্শে এসেছে।
4
11
গবেষকদের সতর্কবার্তা, তামাকের ধোঁয়ার প্রায় ৮৫ শতাংশই অদৃশ্য, আর গন্ধই একমাত্র ভরসা নয়।
5
11
শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে বাড়ি থেকে অন্তত ১০ মিটর দূরত্বে গিয়ে তবেই ধূমপান করা উচিত।
6
11
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বলন্ত সিগারেটের ধোঁয়া এবং ধূমপায়ীর ছাড়া ধোঁয়া — দুই-ই ‘সেকেন্ডহ্যান্ড স্মোক’, যাতে থাকে ৭ হজারেরও বেশি রাসায়নিক, যার অন্তত ৫০টি ক্যানসারের কারণ।
7
11
আরও ভয়ের ‘থার্ডহ্যান্ড স্মোক’। ধূমপানের পরেও যে বিষাক্ত অবশেষ জমে থাকে দেওয়াল, আসবাব, চুল ও জামাকাপড়ে।
8
11
জানালা খুলে, ফ্যান বা এসি চালিয়ে এই অবশেষ দূর করা যায় না। গবেষণা বলছে, সুতি বা পলিয়েস্টার কাপড়ে এই বিষ দেড় বছর পর্যন্ত থেকে যেতে পারে।
9
11
ছোট শিশুর শ্বাসনালী সরু। তারা মেঝে, আসবাব এসবে হাত দেয়৷ সেই হাতই আবার মুখে দেয়। ফলে থার্ডহ্যান্ড স্মোকের রাসায়নিক সহজেই শিশুর শরীরে ঢুকে যায়। এরফলে শিশুর শ্বাসকষ্ট, সংক্রমণ, এমনকি আকস্মিক শিশুমৃত্যুর (সিডস) ঝুঁকিও বাড়ায়।
10
11
শিশুকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ধূমপান পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া এবং ঘরকে ধোঁয়ামুক্ত রাখা প্রয়োজন৷
11
11
তবু কেউ যদি এখনই ছাড়তে না পারেন, তাহলে শিশুর থেকে অনেক দূরে গিয়ে ধূমপান করতে হবে৷ শিশুর কাছে আসার আগে জামা বদলে হাত মুখ ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে৷ জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা৷