অধিকাংশ মানুষের ধারণা যে, বিবাহ বিচ্ছেদের জেরে শুধুমাত্র স্ত্রীই খোরপোশ দাবি করতে পারেন।
2
7
কিন্তু স্বামীও খোরপোশ চাওয়ার অধিকার রাখেন।
3
7
হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫-এর ২৪ ও ২৫ ধারায় বিশেষ পরিস্থিতিতে স্বামীও খোরপোশ চাওয়ার অধিকারী। তবে, এটি অত্যন্ত ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
4
7
যেমন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনও স্বামী উপার্জনে অক্ষম হলে এবং তিনি স্ত্রীর উপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল ছিলেন বলে প্রমাণ করতে পারলে আদালত স্বামীর খোরপোশের আবেদন বিবেচনা করতে পারে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আদালত তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়।
5
7
তবে স্বামী-স্ত্রীর আয় যদি সমান হয় এবং উভয়ের আর্থিক অবস্থাও প্রায় একই থাকে, তাহলে খোরপোশ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
6
7
সুপ্রিম কোর্টের মতে, খোরপোশের উদ্দেশ্য নির্ভরশীল জীবনসঙ্গীকে আর্থিক সুরক্ষা দেওয়া, অন্য পক্ষকে শাস্তি দেওয়া নয়। যদিও সন্তানদের দায়িত্ব বা অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা যদি একজনের উপর বেশি থাকে, তাহলে আদালত আর্থিক সহায়তার নির্দেশ দিতে পারে।
7
7
ভারতীয় আইনে খোরপোশ নির্ধারণের জন্য কোনও নির্দিষ্ট বা বাধ্যতামূলক ফর্মুলা নেই।