ডায়াবেটিসকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে শুরু করলেও বেশিরভাগ সময়েই শরীর কোনও ম্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় না। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই রোগ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে পা ও পায়ের স্নায়ুকে।
2
10
দীর্ঘদিন রক্তে শর্করা বেশি থাকলে স্নায়ু ও রক্তনালির ক্ষতি হয়, ফলে পায়ে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই পায়ের কিছু লক্ষণ কখনই অবহেলা করা উচিত নয়।
3
10
ঝিনঝিন বা অসাড় অনুভূতিঃ পায়ে বারবার ঝিনঝিন করা, জ্বালাপোড়া বা অসাড় লাগা ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির লক্ষণ হতে পারে। উচ্চ রক্তশর্করার কারণে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে এমন অনুভূতি দেখা দেয়।
4
10
পায়ে ব্যথা বা জ্বালাঃ কিছু মানুষের পায়ে তীব্র ব্যথা, জ্বালাপোড়া বা সূচ ফোটার মতো অনুভূতি হতে পারে। এটি স্নায়ুর ক্ষতির ইঙ্গিত দিতে পারে।
5
10
ক্ষত বা ঘা সহজে না শুকানোঃ পায়ে ছোট কাটা, ফোসকা বা ঘা হলে তা অনেক সময় দ্রুত শুকায় না। রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে ক্ষত সারতে দেরি হয় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
6
10
পায়ের ত্বক খুব শুষ্ক বা ফাটাঃ ডায়াবেটিসে অনেক সময় পায়ের ত্বক খুব শুষ্ক হয়ে যায় এবং ফেটে যেতে পারে। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে।
7
10
নখের রং বদলে যাওয়া বা সংক্রমণঃ পায়ের নখ হলুদ, মোটা বা ভঙ্গুর হয়ে গেলে তা ফাঙ্গাল সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
8
10
পায়ের আকৃতির পরিবর্তনঃ দীর্ঘদিন স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে পায়ের পেশি দুর্বল হয়ে যায় এবং পায়ের গঠনেও পরিবর্তন আসতে পারে।
9
10
ফোলা বা লালচে ভাবঃ পা হঠাৎ ফুলে যাওয়া, লাল হয়ে যাওয়া বা গরম লাগা-এসবও ডায়াবেটিসের জটিলতার লক্ষণ হতে পারে।
10
10
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন পা পরীক্ষা করা উচিত। ছোট কোনও সমস্যা দেখলেও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।