মেথি- চুল ভাল রাখতে গেলে মাথার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা প্রয়োজন। মেথির মধ্যে রয়েছে লেসিথিন নামক একটি উপাদান, যা চুল এবং মাথার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে চুল ঝরে পড়াকে প্রতিরোধ করে। অ্যান্টি ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান খুশকির হাত থেকে চুলকে রক্ষা করে। মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি বা র্যাশের সমস্যা হলেও তা কমিয়ে দিতে পারে মেথি। মেথি ভিজিয়ে রাখুন সারারাত।ছেঁকে নিয়ে সেই জল স্প্রে বোতলে ভরে সকালে চুলে লাগাতে পারেন।
2
4
সূর্যমুখী ফুলের বীজ: সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে ভিটামিন বি-৬ যা মাথার স্কাল্পে অক্সিজেন সাপ্লাই করে।এতে চুলপড়া বন্ধ হয় ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। কপারের উপাদান চুলের স্বাভাবিক রং ধরে রাখে। নারকেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে সূর্যমুখী ফুলের বীজ ফুটিয়ে সেই তেল মাথায় মাখতে পারেন। চুলে গোড়া মজবুত হবে। তাছাড়াও মাথার ত্বকের পিএইচের সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এই তেল।
3
4
খেজুর: চুলের যত্নে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে খেজুর। খেজুরে আয়রন এবং ভিটামিন সি রয়েছে ভরপুর পরিমাণে। চুলের জেল্লা বজায় রাখে খেজুর। খেজুরে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন এ ও কপার। যা চুলকে পুষ্টি জোগায়। সারাদিনের যে কোনোও সময় রোজ দুটি খেজুর খেলেই চুলের যত্ন সম্পূর্ণ হবে।
4
4
আমলকী: আমলকিতে আছে ফাইটোৎনিউট্রিয়েন্ট, ভিটামিন ও মিনারেল। যা আপনার স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন ও চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চুলকে মজবুত রাখার পাশাপাশি কন্ডিশনিংও করে। আমলকিতে ৮১.২ শতাংশ ময়শ্চার আছে। তাই রুক্ষ ও শুষ্ক চুলে এই আমলকি বেশ কার্যকরী। স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখার জন্যে আমলকির রস বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা ধরে রাখে ও পুষ্টির জোগান দেয়। চুলের গোড়া মজবুত করে ও ফেরায় প্রাকৃতিক জেল্লা। আমলকীর রস খালি পেটে বা নুন মাখিয়ে খেলে উপকার পাবেন।