বালিপাচার, পাথরপাচার ও কয়লাপাচার সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল আমলে। রাজ্যে পালাবদলের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আর উঠতে দেবেন না।
2
7
তাঁর অভিযোগ ছিল, কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে তৃণমূল সরকারের আমলে। এবার বালি, পাথর ও কয়লা খাত থেকে আয় বাড়িয়ে কর সংগ্রহে নজির গড়ল বীরভূম জেলা।
3
7
কড়া নজরদারি ও প্রশাসনিক সক্রিয়তার জেরে ১৬ এপ্রিল থেকে ১৫ অগস্ট, এই চার মাসে শুধুমাত্র বীরভূম থেকেই আয় হয়েছে ২৩৫ কোটি টাকা, যা গোটা রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক।
4
7
নবান্নের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের এই চার মাসে রাজ্যজুড়ে রাজস্ব আয় ছিল ৪২৮ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। চলতি বছর একই সময়ে আদায় ৫৬৭ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে ১৩৯ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা (৩৩ শতাংশ)।
5
7
রাজস্ব আয়ে শীর্ষে থাকা পাঁচ জেলা হল বীরভূম (২৩৫ কোটি), ঝাড়গ্রাম (৭০ কোটি ২৯ লক্ষ), পূর্ব বর্ধমান (৫৬ কোটি ১২ লক্ষ), বাঁকুড়া (৫৩ কোটি ৬ লক্ষ), পশ্চিম বর্ধমান (৪৮ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা)।
6
7
বিগত জমানার অনিয়ম তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই বলেছিলেন, একটি জেলায় বছরে ১,০০০ কোটি টাকা হিসেবে ১৫ বছরে কেবল বীরভূম থেকেই ১৫,০০০ কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব ক্ষতি করা হয়েছে।
7
7
এই টাকা দিয়ে বহু নতুন স্কুল, হাসপাতাল নির্মাণ ও কর্মসংস্থান তৈরি করা যেত। প্রশাসনের কড়াকড়িতেই এই বিশাল রাজস্ব বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।