৮৪-তে পা ‘শাহেনশাহ’-র! অ্যাংরি ইয়ং ম্যান থেকে ‘বাগবান’— অমিতাভের সেরা ৮ ছবি
নিজস্ব সংবাদদাতা
১১ অক্টোবর ২০২৬ ২০ : ৪৩
শেয়ার করুন
1
10
১১ অক্টোবর ৮৪-র চৌকাঠ ছুঁয়ে ফেললেন অমিতাভ বচ্চন। বিগত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপোলি পর্দায় যাঁর উপস্থিতি ভারতীয় সিনেমাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে, সেই ‘বিগ বি’-র জন্মদিন মানেই বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ অনুরাগীর কাছে উদযাপনের দিন।
2
10
‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’ চরিত্র দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে বিপ্লব আনা থেকে শুরু করে পরিণত বয়সে ভিন্ন স্বাদের চরিত্রে নিজেকে বারবার নতুন করে প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। অমিতাভ বচ্চনের ৮৪তম জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক তাঁর কেরিয়ারের কালজয়ী ৮টি ছবি, যা সিনেমাপ্রেমীদের অবশ্যই দেখা উচিত:
3
10
১. জঞ্জির: ১৯৭৩ সালে প্রকাশ মেহরা পরিচালিত এই ছবি থেকেই ভারতীয় চলচ্চিত্রে জন্ম নেয় অমিতাভ বচ্চনের ঐতিহাসিক ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’-এর। অসীম ক্ষোভ আর সততায় ভরা এক পুলিশ অফিসারের চরিত্রে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয় রাতারাতি তাঁকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দেয়।
4
10
২. দিওয়ার: যশ চোপড়ার এই ক্লাসিক গ্যাংস্টার ড্রামায় ডক শ্রমিক থেকে অপরাধজগতের সম্রাট হয়ে ওঠা ‘বিজয়’-এর চরিত্র আজও অনবদ্য। ১৯৭৫ সালে মুক্তি পাওয়া সেই ছবিতে সৎ পুলিশ ভাই রবি (শশী কাপুর)-র সঙ্গে বিজয়ের আদর্শগত সংঘাত ও সংলাপের লড়াই চলচ্চিত্র ইতিহাসের স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
5
10
৩. শোলে (১৯৭৫): ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সর্বকালের সেরা ছবি ‘শোলে’। জয় (অমিতাভ) ও বীরু (ধর্মেন্দ্র)-র নিখাদ বন্ধুত্ব, গব্বর সিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াই আর অমিতাভের শান্ত অথচ গভীর অভিনয় এই ছবিকে এক ক্লাসিকে পরিণত করেছে।
6
10
৪. অমর আকবর অ্যান্টনি (১৯৭৭): মনমোহন দেশাইয়ের এই জমজমাট অ্যাকশন-কমেডি ছবিতে বিভিন্ন ধর্মে বেড়ে ওঠা তিন ভাইয়ের গল্প তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে ‘অ্যান্টনি গঞ্জালভেস’ চরিত্রে অমিতাভের নিখুঁত কৌতুক রসে ভরা পারফরম্যান্স আজও দর্শককে হাসিয়ে মারে।
7
10
৫. ডন (১৯৭৮): দ্বৈত চরিত্রে অমিতাভের মুন্সিয়ানা দেখার মতো ছিল এই ছবিতে। একদিকে নিষ্ঠুর আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন, অন্যদিকে সাধারণ এক গায়ক ‘বিজয়’— দুই সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী চরিত্র ফুটিয়ে তুলে তিনি এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন।
8
10
৬. কুলি ( ১৯৮৩): রেল স্টেশনের কুলি ‘ইকবাল’-এর চরিত্রে অমিতাভের এই ছবি এক বিশেষ আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে। এই ছবির শুটিং চলাকালীনই এক মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন তিনি। যা পরবর্তীতে এই ছবিকে এক বিরাট আবেগের রূপ দেয়।
9
10
৭. শাহেনশাহ (১৯৮৮): রাজনীতি থেকে সিনেমা জগতে তিন বছরের বিরতির পর এই ছবির মাধ্যমেই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল তাঁর। “রিশতে মে তো হাম তুমহারে বাপ হ্যাঁয়, নাম হ্যায় শাহেনশাহ” — এই ঐতিহাসিক সংলাপ আজও ভক্তদের মুখে মুখে ফেরে।
10
10
৮. বাগবান ( ২০০৩): প্রৌঢ় বয়সের এসে প্রবীণ দম্পতির সম্পর্কের গভীরতা ও সন্তান দ্বারা উপেক্ষিত হওয়ার মর্মান্তিক গল্পে অমিতাভ ও হেমা মালিনীর অভিনয় চোখে জল এনে দিয়েছিল কোটি কোটি দর্শকের। পরিণত বয়সে তাঁর দুরন্ত অভিনয় ক্ষমতার চূড়ান্ত নিদর্শন ছিল এই ছবি।