বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার রেমো ডি'সুজার ব্যক্তিগত জীবন যেন কোনও ছবির চিত্রনাট্য। লিজেল ডি'সুজার সঙ্গে তাঁর প্রেম ও বিয়ের গল্প শুনলে অবাক হতে হয়। বিয়ের অনেক আগেই তাঁরা বাবা-মা হয়েছিলেন এবং সেই সন্তানকে সাক্ষী রেখেই পরে চার্চে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই দম্পতি।
লিজেল সম্প্রতি তাঁদের জীবনের সেই অজানা অধ্যায়ের কথা এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, যখন তাঁদের প্রেম শুরু হয়, তখন লিজেলের বয়স ছিল ২০ আর রেমোর ২৪। লিজেল বলেন, “আমাদের ছেলের জন্মের সময় আমার বয়স ছিল মাত্র ২১। তখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করিনি। এমনকী আমাদের বাড়ির লোকও জানতেন না যে আমরা একসঙ্গে আছি।”
গর্ভাবস্থায় অনেকের প্রশ্নের মুখে পড়ে রেমো ও লিজেল বলতেন যে, তাঁরা মন্দিরে বিয়ে করেছেন। কিন্তু লিজেলের মায়ের সন্দেহ কাটছিল না। হাসপাতালের স্মৃতি মনে করে লিজেল বলেন, “আমাদের ছেলের জন্মের পর পরিচালক অনুভব সিনহা এবং রত্না হাসপাতালে আমাকে দেখতে এসেছিলেন। অনুভব তখন আমাকে কড়া সুরে বলেছিলেন, ‘লিজেল, এবার অন্তত বিয়েটা সেরে ফেলো’।”
সেই সময় তাঁদের বিয়ের কথা জানতেন শুধুমাত্র হংসল মেহতা, আহমেদ খান ও তাঁর স্ত্রী। লিজেলের মা চেয়েছিলেন সন্তানকে ব্যাপটিজম (খ্রিস্টান ধর্মমতে দীক্ষা) করাতে। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, রেমো ও লিজেলকে চার্চে বিয়ে করতেই হবে, কারণ তাঁদের ‘মন্দিরের বিয়ে’ তাঁর কাছে বৈধ নয়। সাধারণত জন্মের ৪০ দিনের মধ্যে ব্যাপটিজম হয়ে থাকলেও, নানা কারণে লিজেল প্রায় ছ'মাস দেরি করেছিলেন।
শেষ পর্যন্ত ১৯৯৯ সালের ৫ অক্টোবর, রেমো ও লিজেল চার্চে গিয়ে বিয়ে করেন। লিজেল জানান, তাঁদের সেই বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন তাঁদের সন্তানও।
















